المثال الأول: ما صنعه (ماكس هينج) - مترجم القرآن إلى اللغة الألمانية- في قوله تعالى: أَفَلا يَنْظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ [الغاشية: 17] حيث ترجم كلمة الإبل بالسحاب.
وهو أحد المعاني التي حملت عليها الآية، والجمهور يفسّرون الإبل بالحيوان المعروف، وهو المتبادر، ولا داعي للتأويل، والخلل واضح في هذه الترجمة سواء كانت حرفية أو معنوية.
المثال الثاني: ما فعله (مارماديوك) مترجم القرآن إلى اللغة الإنكليزية في قوله تعالى: بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْباطِلِ فَيَدْمَغُهُ [الأنبياء: 18] حيث ترجم كلمة (فيدمغه) بمعناها الأصلي وهو (فيشق رأسه) علما أن القرآن الكريم يستعملها في هذه الآية ويريد منها المعنى المجازي وهو (الغلب).
ويترجم قوله تعالى: وَلا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلى عُنُقِكَ وَلا تَبْسُطْها كُلَّ الْبَسْطِ [الإسراء: 29] بمدلولها الأصلي، وهو جمع اليد إلى العنق وإطلاقها، فيقول: لا تجعل يدك مربوطة إلى رقبتك ولا تتركها من غير ربط، ولا شك أن التشويه والمسخ ظاهر في هذه الترجمات التي ما أريد بها وجه الله ولا هداية الناس.
প্রথম উদাহরণ: জার্মান ভাষায় কুরআনের অনুবাদক (ম্যাক্স হেঞ্জ) আল্লাহ তাআলার বাণী: "তারা কি উটের (الإبل) দিকে তাকিয়ে দেখে না যে, তা কীভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?" [আল-গাশিয়াহ: ১৭]-এর ক্ষেত্রে যা করেছেন, যেখানে তিনি 'ইবিল' (الإبل) শব্দটির অনুবাদ করেছেন 'মেঘ' হিসেবে।
এটি আয়াতের এমন একটি অর্থ যা কেউ কেউ গ্রহণ করেছেন, তবে জমহুর (الجمهور) বা অধিকাংশ আলিম 'ইবিল' বলতে সুপরিচিত প্রাণীটিকেই (উট) বুঝিয়েছেন; আর এটাই প্রথমত অনুধাবিত অর্থ। এখানে কোনো অপব্যাখ্যার (تأويل) আবশ্যকতা নেই। এই অনুবাদে ত্রুটি সুস্পষ্ট, চাই তা আক্ষরিক (حرفية) হোক বা ভাবার্থগত (معنوية)।
দ্বিতীয় উদাহরণ: ইংরেজি ভাষায় কুরআনের অনুবাদক (মারমাডিউক) আল্লাহ তাআলার বাণী: "বরং আমি সত্যের দ্বারা মিথ্যার ওপর আঘাত হানি, ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়" [আল-আম্বিয়া: ১৮]-এর ক্ষেত্রে যা করেছেন। এখানে তিনি 'ফাইয়াদমাগুহু' (فيدمغه) শব্দটিকে এর মূল আভিধানিক অর্থে অনুবাদ করেছেন, যা হলো 'তার মাথা বিদীর্ণ করে দেওয়া' (فيشق رأسه); অথচ কুরআন মাজিদ এই আয়াতে শব্দটি রূপক (مجازي) অর্থে ব্যবহার করেছে যার উদ্দেশ্য হলো 'বিজয়' (الغلب)।
অনুরূপভাবে তিনি আল্লাহ তাআলার বাণী: "আর তুমি তোমার হাত তোমার গ্রীবায় আবদ্ধ করে রেখো না এবং তা পুরোপুরি প্রসারিত করো না" [আল-ইসরা: ২৯]-কে এর মূল শাব্দিক অর্থ অনুযায়ী অনুবাদ করেছেন, যা হলো হাতকে ঘাড়ের সাথে একত্রিত করা এবং তা ছেড়ে দেওয়া। তিনি বলেন: 'তোমার হাতকে ঘাড়ের সাথে বেঁধে রেখো না এবং একে বাঁধনহীন অবস্থায় ছেড়ে দিও না'। কোনো সন্দেহ নেই যে, এই অনুবাদসমূহে বিকৃতি ও কদর্যতা সুস্পষ্ট, যার দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কিংবা মানুষের হেদায়েত—কোনোটাই উদ্দেশ্য ছিল না।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 260)