- {أَفَغَيْرَ اللَّهِ أَبْتَغِي حَكَماً وَهُوَ الَّذِي أَنزَلَ إِلَيْكُمُ الْكِتَابَ مُفَصَّلاً} [الأنعام- 114]
- {أَغَيْرَ اللَّهِ أَتَّخِذُ وَلِيّاً فَاطِرِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَهُوَ يُطْعِمُ وَلا يُطْعَمُ} [الأنعام- 14]
- {قُلْ أَغَيْرَ اللَّهِ أَبْغِي رَبّاً وَهُوَ رَبُّ كُلِّ شَيْءٍ} [الأنعام- 164]
- {قُلْ أَنَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لا يَنفَعُنَا وَلا يَضُرُّنَا} [الأنعام- 71]
- {وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ قُلْ أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ أَرَادَنِي اللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَاشِفَاتُ ضُرِّهِ … } [الزمر- 38]
- {وَمَا لِي لا أَعْبُدُ الَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ} [يس- 22]
- {أَتَدْعُونَ بَعْلاً وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ الْخَالِقِينَ} [الصافات- 125]
- {أَفَمَنْ يَخْلُقُ كَمَنْ لا يَخْلُقُ أَفَلا تَذَكَّرُونَ} [النحل- 17]
- {أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ} [الطور- 35]
- {أَغَيْرَ اللَّهِ أَتَّخِذُ وَلِيّاً فَاطِرِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَهُوَ يُطْعِمُ وَلا يُطْعَمُ} [الأنعام- 14]
- {قُلْ أَغَيْرَ اللَّهِ أَبْغِي رَبّاً وَهُوَ رَبُّ كُلِّ شَيْءٍ} [الأنعام- 164]
- {قُلْ أَنَدْعُو مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لا يَنفَعُنَا وَلا يَضُرُّنَا} [الأنعام- 71]
- {وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ قُلْ أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ إِنْ أَرَادَنِي اللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَاشِفَاتُ ضُرِّهِ … } [الزمر- 38]
- {وَمَا لِي لا أَعْبُدُ الَّذِي فَطَرَنِي وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ} [يس- 22]
- {أَتَدْعُونَ بَعْلاً وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ الْخَالِقِينَ} [الصافات- 125]
- {أَفَمَنْ يَخْلُقُ كَمَنْ لا يَخْلُقُ أَفَلا تَذَكَّرُونَ} [النحل- 17]
- {أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ} [الطور- 35]
- {তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো বিচারক তালাশ করব, অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত কিতাব অবতীর্ণ করেছেন?} [আল-আনআম- ১১৪]
- {বলুন, আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করব, যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা এবং যিনি আহার দান করেন কিন্তু তাঁকে আহার করানো হয় না?} [আল-আনআম- ১৪]
- {বলুন, আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো রব তালাশ করব, অথচ তিনি সবকিছুর রব?} [আল-আনআম- ১৬৪]
- {বলুন, আমরা কি আল্লাহ ছাড়া এমন কিছুকে আহ্বান করব যা আমাদের কোনো উপকার করতে পারে না এবং অপকারও করতে পারে না?} [আল-আনআম- ৭১]
- {আর আপনি যদি তাদের জিজ্ঞাসা করেন যে, কে আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে—আল্লাহ। বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ, আল্লাহ যদি আমার কোনো ক্ষতি করতে চান, তবে আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের আহ্বান করো তারা কি তাঁর সেই ক্ষতি দূর করতে সক্ষম হবে … } [আজ-জুমার- ৩৮]
- {আর আমার কী হয়েছে যে, আমি তাঁর ইবাদত করব না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন করানো হবে?} [ইয়াসীন- ২২]
- {তোমরা কি ‘বাল’ দেবতাকে আহ্বান করছ এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে বর্জন করছ?} [আস-সাফফাত- ১২৫]
- {তবে কি যিনি সৃষ্টি করেন তিনি কি তাঁর ন্যায় যে সৃষ্টি করতে পারে না? তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?} [আন-নাহল- ১৭]
- {তারা কি কোনো কিছু ছাড়াই সৃজিত হয়েছে, নাকি তারা নিজেরাই স্রষ্টা?} [আত-তূর- ৩৫]
- {বলুন, আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করব, যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা এবং যিনি আহার দান করেন কিন্তু তাঁকে আহার করানো হয় না?} [আল-আনআম- ১৪]
- {বলুন, আমি কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো রব তালাশ করব, অথচ তিনি সবকিছুর রব?} [আল-আনআম- ১৬৪]
- {বলুন, আমরা কি আল্লাহ ছাড়া এমন কিছুকে আহ্বান করব যা আমাদের কোনো উপকার করতে পারে না এবং অপকারও করতে পারে না?} [আল-আনআম- ৭১]
- {আর আপনি যদি তাদের জিজ্ঞাসা করেন যে, কে আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে—আল্লাহ। বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ, আল্লাহ যদি আমার কোনো ক্ষতি করতে চান, তবে আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের আহ্বান করো তারা কি তাঁর সেই ক্ষতি দূর করতে সক্ষম হবে … } [আজ-জুমার- ৩৮]
- {আর আমার কী হয়েছে যে, আমি তাঁর ইবাদত করব না যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যাঁর কাছে তোমাদের প্রত্যাবর্তন করানো হবে?} [ইয়াসীন- ২২]
- {তোমরা কি ‘বাল’ দেবতাকে আহ্বান করছ এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে বর্জন করছ?} [আস-সাফফাত- ১২৫]
- {তবে কি যিনি সৃষ্টি করেন তিনি কি তাঁর ন্যায় যে সৃষ্টি করতে পারে না? তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?} [আন-নাহল- ১৭]
- {তারা কি কোনো কিছু ছাড়াই সৃজিত হয়েছে, নাকি তারা নিজেরাই স্রষ্টা?} [আত-তূর- ৩৫]
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 23)