ثالثًا: تعد دراسة النظم الاجتماعية هي الأساس الأول للدراسة المقارنة بين المجتمعات
تمهيدًا لإصدار قضايا عامة أو للتعميم في الدراسات الاجتماعية. فمن الخطأ إجراء مقارنة بين ظواهر اجتماعية جزئية أو حتى بين نظم جزئية كالزواج والخطبة … إلخ، على أساس أن مقارنة هذه الظواهر والنظم الجزئية بين عدة مجتمعات معناه انتزاع الظاهرة أو النظام من إطاره الكلي، الأمر الذي يحولها إلى ظاهرة هينة وبالتالي تبطل المقارنة.
وإذا ما أردنا المقارنة فإنه لا مناص على الأقل من دراسة النظم الاجتماعية الكبرى. ومثل هذه الدراسة المقارنة هي التي تمكننا من إصدار تعميمات حول مكونات ووظائف النظم الاجتماعية من جهة، وحول عوامل تغيرها وتحولها واتجاهات التغير وأساليبه ومداخله من جهة أخرى.
تمهيدًا لإصدار قضايا عامة أو للتعميم في الدراسات الاجتماعية. فمن الخطأ إجراء مقارنة بين ظواهر اجتماعية جزئية أو حتى بين نظم جزئية كالزواج والخطبة … إلخ، على أساس أن مقارنة هذه الظواهر والنظم الجزئية بين عدة مجتمعات معناه انتزاع الظاهرة أو النظام من إطاره الكلي، الأمر الذي يحولها إلى ظاهرة هينة وبالتالي تبطل المقارنة.
وإذا ما أردنا المقارنة فإنه لا مناص على الأقل من دراسة النظم الاجتماعية الكبرى. ومثل هذه الدراسة المقارنة هي التي تمكننا من إصدار تعميمات حول مكونات ووظائف النظم الاجتماعية من جهة، وحول عوامل تغيرها وتحولها واتجاهات التغير وأساليبه ومداخله من جهة أخرى.
তৃতীয়ত:সামাজিক ব্যবস্থার অধ্যয়নই সমাজসমূহের মধ্যে তুলনামূলক পর্যালোচনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত
যা সামাজিক গবেষণায় সাধারণ নীতিমালা প্রণয়ন বা সাধারণীকরণের একটি প্রাথমিক ধাপ। সুতরাং আংশিক সামাজিক প্রপঞ্চ কিংবা এমনকি বিবাহ ও বিয়ের প্রস্তাব … ইত্যাদির মতো আংশিক ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে তুলনা করা ভুল; কারণ বিভিন্ন সমাজের মধ্যে এই প্রপঞ্চ বা আংশিক ব্যবস্থাগুলোর তুলনা করার অর্থ হলো প্রপঞ্চ বা ব্যবস্থাকে তার সামগ্রিক কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন করা, যা বিষয়টিকে তুচ্ছ প্রপঞ্চে পরিণত করে এবং ফলস্বরূপ তুলনাটি অকার্যকর হয়ে যায়।
আর আমরা যদি তুলনা করতে চাই তবে কমপক্ষে বৃহৎ সামাজিক ব্যবস্থাগুলো অধ্যয়ন করা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। এ ধরণের তুলনামূলক অধ্যয়নই একদিকে যেমন আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার উপাদান ও কার্যাবলি সম্পর্কে সাধারণীকরণ করতে সক্ষম করে, তেমনি অন্যদিকে এর পরিবর্তনের কারণ ও রূপান্তর এবং পরিবর্তনের গতিধারা, পদ্ধতি ও ক্ষেত্রসমূহ সম্পর্কেও ধারণা প্রদান করে।
যা সামাজিক গবেষণায় সাধারণ নীতিমালা প্রণয়ন বা সাধারণীকরণের একটি প্রাথমিক ধাপ। সুতরাং আংশিক সামাজিক প্রপঞ্চ কিংবা এমনকি বিবাহ ও বিয়ের প্রস্তাব … ইত্যাদির মতো আংশিক ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে তুলনা করা ভুল; কারণ বিভিন্ন সমাজের মধ্যে এই প্রপঞ্চ বা আংশিক ব্যবস্থাগুলোর তুলনা করার অর্থ হলো প্রপঞ্চ বা ব্যবস্থাকে তার সামগ্রিক কাঠামো থেকে বিচ্ছিন্ন করা, যা বিষয়টিকে তুচ্ছ প্রপঞ্চে পরিণত করে এবং ফলস্বরূপ তুলনাটি অকার্যকর হয়ে যায়।
আর আমরা যদি তুলনা করতে চাই তবে কমপক্ষে বৃহৎ সামাজিক ব্যবস্থাগুলো অধ্যয়ন করা ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। এ ধরণের তুলনামূলক অধ্যয়নই একদিকে যেমন আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার উপাদান ও কার্যাবলি সম্পর্কে সাধারণীকরণ করতে সক্ষম করে, তেমনি অন্যদিকে এর পরিবর্তনের কারণ ও রূপান্তর এবং পরিবর্তনের গতিধারা, পদ্ধতি ও ক্ষেত্রসমূহ সম্পর্কেও ধারণা প্রদান করে।
(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 72)