سابعًا:‌‌ النظم الاختيارية والنظم الإجبارية،
هذا التصنيف قدمه "هيوز" Hughes11. فالنظم الإجبارية لا يكون للفرد حرية الالتزام بها أم لا -مثل الأسرة والمواطنة في الدولة والذكورة والأنوثة … أما النظم الاختيارية، فهي تلك التي يشارك الفرد فيها، ويملك الانسحاب منها، كالنظم المهنية والتعليمية والرياضية. وقد استخدم "ميريل" Merill12 نفس الأساس وهو الاختيارية والإجبارية عند تصنيف النظم، لكنه اعتمد في التصنيف على فكرة حقوق النظم على الأفراد أو واجبات والتزامات الأفراد إزاء النظم. فبعض النظم تفرض واجبات إجبارية لا مناص منها، وليس للفرد حق في العضوية داخلها كالأسرة، وبعضها ذات صفة اختيارية كالنظم المهنية والرياضية.
সপ্তম: ঐচ্ছিক ব্যবস্থা এবং বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা,

এই শ্রেণিবিন্যাসটি "হিউজ" (Hughes) প্রদান করেছেন। বাধ্যতামূলক ব্যবস্থাগুলোতে ব্যক্তির তা মেনে চলা বা না চলার স্বাধীনতা থাকে না - যেমন পরিবার, রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব এবং পুরুষত্ব ও নারীত্ব … পক্ষান্তরে, ঐচ্ছিক ব্যবস্থাগুলো হলো সেগুলো যাতে ব্যক্তি অংশগ্রহণ করে এবং যা থেকে সে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে, যেমন পেশাগত, শিক্ষা ও ক্রীড়া বিষয়ক ব্যবস্থা। "মেরিল" (Merill) ব্যবস্থার শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে একই ভিত্তি অর্থাৎ ঐচ্ছিকতা ও বাধ্যতামূলকতা ব্যবহার করেছেন, তবে তিনি শ্রেণিবিন্যাসে ব্যক্তিদের ওপর ব্যবস্থার অধিকার অথবা ব্যবস্থার প্রতি ব্যক্তির কর্তব্য ও বাধ্যবাধকতার ধারণার ওপর নির্ভর করেছেন। সুতরাং কিছু ব্যবস্থা অনিবার্য বাধ্যতামূলক কর্তব্য আরোপ করে এবং সেগুলোর সদস্যপদ লাভে ব্যক্তির (ইচ্ছাধীন) কোনো অধিকার থাকে না যেমন পরিবার; আবার কিছু ব্যবস্থা ঐচ্ছিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যেমন পেশাগত ও ক্রীড়া বিষয়ক ব্যবস্থা।

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 66)