وحدودها حتى لا نتوقع منه إلا ما هو في هذه الحدود وأن نقلل ما أمكننا من قيوده، وأن نتيح له قدرًا كافيًا من الحرية، وأخيرًا ألا نضيق بسلوكه العدواني إطلاقًا، بل نتيح له متنفسًا ملائمًا من التوجيه والرعاية.
7- الانحرافات السلوكية:
يتعرض بعض الأبناء إلى نوعين من المشكلات تبدو أعراضهما على شكل سلوك مضاد للمجتمع بما في ذلك السلوك الخارج على القانون ومن أهم مظاهر هذه الانحرافات ما يلي.
أ- جرائم الأحداث، كالسرقة والنشل.
ب- وهناك بجانب ذلك انحرافات أقل خطورة، كالهروب من المنزل والمدرسة والتشرد والكذب والتخريب والتمرد.
ويطلق على مظاهر الانحرافات السابقة بقسميها الاصطلاح "جناح الأحداث" وسنأخذ بعض الأمثلة التوضيحية للانحراف، وما يجب أن نسلكه تجاه هذا النمط السلوكي لدى أولادنا.
أ- السرقة:
الأمانة أمر مكتسب ولا يورث، فالطفل إذا لم يدرب في محيط العائلة على التفرقة بين ما يخصه وما يخص غيره، كان من الصعب أن نتوقع منه أن يكون أكثرًا تمييزًا بين ما يحق له وما لا يحق خارج المنزل، على أنه ينبغي ألا نغفل ذلك الميل الطبيعي الذي يدفع الطفل إلى عدم الاكتراث بحقوق الآخرين فيما يملكون.
وينبغي أن يدرك الطفل منذ أول فرصة ممكنة ما نعنيه ببعض المعايير الاجتماعية مثل "الأمانة" وليس أجدى من تحقيق هذا من احترام حقوق الطفل فيما يمتلك من أدوات خاصة ومن تخويله حق التصرف المشروع في ذلك ما استطعنا إلى ذلك سبيلا ولا ينبغي أن نتصرف في شيء من ممتلكات الطفل الخاصة دون رضاه وموافقته.
وعمومًا يعتمد الأطفال على البيئة التي يعيشون فيها في تكوين موقفهم الخلقي بإزاء الحياة قدر اعتمادهم عليها في اللغة التي يتكلمونها أو الملابس التي يتخذونها، وإذا نحن ذكرنا أن كل نزعات الطفل الأساسية
এবং এর সীমাবদ্ধতা যাতে আমরা তার নিকট থেকে কেবল এই সীমার মধ্যে থাকা আচরণই প্রত্যাশা করি, এবং যতটা সম্ভব তার ওপর থেকে বিধিনিষেধ হ্রাস করি এবং তাকে পর্যাপ্ত স্বাধীনতা প্রদান করি। সবশেষে, তার আক্রমণাত্মক আচরণে আমরা যেন একেবারেই ত্যক্ত-বিরক্ত না হই, বরং আমরা যেন তাকে সঠিক দিকনির্দেশনা ও যত্নের মাধ্যমে একটি উপযুক্ত বহিঃপ্রকাশের সুযোগ করে দিই।
৭- আচরণগত বিচ্যুতিসমূহ:
কোনো কোনো সন্তান এমন দুই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় যার লক্ষণসমূহ সমাজবিরোধী আচরণের রূপ নেয়, যার মধ্যে আইন পরিপন্থী আচরণও অন্তর্ভুক্ত। এই বিচ্যুতিগুলোর অন্যতম প্রধান বহিঃপ্রকাশসমূহ নিম্নরূপ।
ক- কিশোর অপরাধ, যেমন চুরি ও পকেটমার।
খ- এর পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর বিচ্যুতিও রয়েছে, যেমন বাড়ি ও বিদ্যালয় থেকে পলায়ন, লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো (ভবঘুরেপনা), মিথ্যাচার, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ এবং অবাধ্যতা।
পূর্বোক্ত উভয় প্রকার বিচ্যুতির বহিঃপ্রকাশকে পারিভাষিক শব্দে "কিশোর অপরাধপ্রবণতা" বলা হয়। আমরা বিচ্যুতির কিছু ব্যাখ্যামূলক উদাহরণ গ্রহণ করব এবং আমাদের সন্তানদের এই আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে আমাদের কী ধরনের কর্মপন্থা অবলম্বন করা উচিত তা নিয়ে আলোচনা করব।
ক- চুরি:
আমানতদারিতা একটি অর্জিত গুণ, এটি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয় না। শিশু যদি পারিবারিক পরিবেশে নিজের অধিকারভুক্ত বস্তু এবং অন্যের অধিকারভুক্ত বস্তুর মধ্যে পার্থক্য করতে অভ্যস্ত না হয়, তবে ঘরের বাইরে সে তার জন্য কোনটি প্রাপ্য আর কোনটি প্রাপ্য নয়—সে বিষয়ে সূক্ষ্ম বিচার করতে পারবে বলে আশা করা কঠিন। তবে শিশুর সেই স্বাভাবিক প্রবণতাটির কথা আমাদের উপেক্ষা করা উচিত নয় যা তাকে অন্যের মালিকানাধীন বিষয়ের প্রতি ভ্রুক্ষেপহীন হতে প্ররোচিত করে।
শিশুর জন্য সম্ভব হওয়া মাত্রই প্রথম সুযোগে তাকে অনুধাবন করাতে হবে যে "আমানতদারিতা" বা "সততা"-র মতো সামাজিক মানদণ্ডগুলো বলতে আমরা কী বোঝাতে চাই। আর এটি অর্জনের জন্য শিশুর নিজস্ব জিনিসপত্রের ওপর তার অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সাধ্যমতো তাকে সেগুলো বৈধভাবে ব্যবহারের অধিকার দেওয়ার চেয়ে কার্যকর আর কিছু হতে পারে না। শিশুর কোনো ব্যক্তিগত সম্পদের বিষয়ে তার সন্তুষ্টি ও সম্মতি ব্যতিরেকে আমাদের কোনো হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।
সাধারণত শিশুরা জীবনের প্রতি তাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে তাদের বিদ্যমান পরিবেশের ওপর ঠিক ততটাই নির্ভর করে, যতটা তারা তাদের ব্যবহৃত ভাষা বা পরিধেয় বস্ত্রের ক্ষেত্রে পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল থাকে। আর আমরা যদি স্মরণ করি যে শিশুর প্রতিটি মৌলিক প্রবৃত্তি...

(খণ্ড: 1) (পৃষ্ঠা: 477)