801 - عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: كَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ فِي الأَرْضِ، وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرًا، وَيَقُولُونَ: إِذَا بَرَا الدَّبَرْ وَعَفَا الأَثَرْ وَانْسَلَخَ صَفَرْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ

⦗ص: 231⦘ لِمَنِ اعْتَمَرْ. قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ، فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً، فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْحِلِّ؟ قَالَ: «حِلٌّ كُلُّهُ». (بخاري: 1564)
৮০১ - ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তারা মনে করত যে হজের মাসগুলোতে উমরাহ করা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম পাপগুলোর মধ্যে একটি। আর তারা মুহাররাম মাসকে সফর মাস বানিয়ে নিত। তারা বলত: যখন পিঠের ক্ষত সেরে যাবে, পথের চিহ্ন মুছে যাবে এবং সফর মাস শেষ হয়ে যাবে, কেবল তখনই উমরাহকারীর জন্য উমরাহ হালাল হবে। নবী (সা.) এবং তাঁর সাহাবীগণ যিলহজ মাসের চার তারিখ সকালে হজের ইহরাম বেঁধে (তালবিয়া পাঠ করতে করতে) মক্কায় এলেন। তখন তিনি তাঁদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তাঁরা সেটিকে উমরাহতে পরিণত করেন। এটা তাঁদের কাছে খুব কঠিন মনে হলো। তাই তাঁরা বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! এটা কেমন হালাল হওয়া?” তিনি বললেন, “সম্পূর্ণ হালাল হওয়া।” (বুখারী: ১৫৬৪)

মুখতাসার সহীহুল বুখারী (801)