حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ صَفْوَانَ، أَوْ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيِّ، قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ فَتْحِ مَكَّةَ جَاءَ بِأَبِيهِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اجْعَلْ لأَبِي نَصِيبًا فِي الْهِجْرَةِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّهُ لاَ هِجْرَةَ ‏"‏ ‏.‏ فَانْطَلَقَ فَدَخَلَ عَلَى الْعَبَّاسِ فَقَالَ قَدْ عَرَفْتَنِي فَقَالَ أَجَلْ ‏.‏ فَخَرَجَ الْعَبَّاسُ فِي قَمِيصٍ لَيْسَ عَلَيْهِ رِدَاءٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ عَرَفْتَ فُلاَنًا وَالَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُ جَاءَ بِأَبِيهِ لِيُبَايِعَكَ عَلَى الْهِجْرَةِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِنَّهُ لاَ هِجْرَةَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ الْعَبَّاسُ أَقْسَمْتُ عَلَيْكَ ‏.‏ فَمَدَّ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَدَهُ فَمَسَّ يَدَهُ فَقَالَ ‏"‏ أَبْرَرْتُ عَمِّي وَلاَ هِجْرَةَ ‏"‏ ‏.‏



حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ يَعْنِي لاَ هِجْرَةَ مِنْ دَارٍ قَدْ أَسْلَمَ أَهْلُهَا ‏.‏تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، یزید بن أبي زیاد ضعفہ الجمہور کما قال البوصیري ، (انوار الصحیفہ ص 455)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: * إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد -وهو القرشي الهاشمي. وأخرجه أحمد (١٥٥٥١)، وابن أبي عاصم في "الآحاد والمثاني" (٧٨٠)، والطحاوي في "شرح مشكل الآثار" (٢٦٢٠)، والبيهقي في "السُّنن" ١٠/ ٤٠ من طريق يزيد بن أبي زياد، بهذا الإسناد. * إسناده ضعيف كسابقه
আবদুর রহমান বিন সফওয়ান অথবা সফওয়ান বিন আবদুর রহমান আল-কুরাশী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, মাক্কাহ বিজয়ের দিন আবদুর রহমান তার পিতাকে নিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতাকে হিজরতে শরীক করুন। তিনি বলেনঃ তার তো হিজরত নেই। তিনি সেখান থেকে চলে গিয়ে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, আপনি আমাকে চিনেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ। এরপর আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একটি জামা গায়ে দিয়ে চাদরবিহীন অবস্থায় বেরিয়ে পড়লেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আপনি তো এই লোক এবং তার ও আমাদের মধ্যেকার ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে অবহিত। সে তার পিতাকে নিয়ে এসেছে, যেন আপনি তাকে হিজরতের জন্য বাইআত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এখন তো আর হিজরত নেই। আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আপনাকে শপথ দিয়ে বলছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত বাড়িয়ে দিয়ে লোকটির হাত স্পর্শ করলেন এবং বললেনঃ আমি আমার চাচার শপথ পূর্ণ করলাম এবং এখন আর হিজরত নেই।



[ উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ ]



২/২১১৬ (১) . আবদুর রহমান বিন সফওয়ান অথবা সফওয়ান বিন আবদুর রহমান আল-কুরাশী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার নিজেস্ব সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ইয়াযীদ বিন আবূ যিয়াদ বলেন, অর্থাৎ যে দেশের লোকেরা ইসলাম গ্রহন করে সেখান হতে কোন হিজরত নেই।



তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

সুনান ইবনু মাজাহ (2116)