أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ الْحَسَنِ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْمُحَبَّقِ، قَالَ: «قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَجُلٍ وَطِئَ جَارِيَةَ امْرَأَتِهِ، إِنْ كَانَ اسْتَكْرَهَهَا فَهِيَ حُرَّةٌ وَعَلَيْهِ لِسَيِّدَتِهَا مِثْلُهَا، وَإِنْ كَانَتْ طَاوَعَتْهُ فَهِيَ لَهُ وَعَلَيْهِ لِسَيِّدَتِهَا مِثْلُهَا»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيفتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن
সালামা ইবন মুহাব্বাক (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছিলেন, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর বাঁদীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছে, যদি সে ব্যক্তি তার প্রতি বল প্রয়োগ করে থাকে, তবে এ বাদী আযাদ হয়ে যাবে এবং ঐ ব্যক্তির উপর ঐ বৗ



বাদীর মালিককে এর মত আর একটি (বাদীর মূল্য) দিতে হবে। আর যদি ঐ বাদী, ঐ ব্যক্তির অনুগত হয়ে থাকে তা হলে ঐ বাদী ঐ ব্যক্তিরই হয়ে যাবে। সে ব্যক্তির উপর ঐ বাদীর মালিককে অনুরূপ একটা বাদী (মূল্য) দেয়া ওয়াজিব হবে।

সুনান আন-নাসাঈ (3363)