خْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، أنبأنا خَالِدٌ، أنبأنا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، سَمِعْتُ ذَرًّا يُحَدِّثُ، عَنِ ابْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: - وَقَدْ سَمِعَهُ الْحَكَمُ مِنْ ابْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنَ - قَالَ: أَجْنَبَ رَجُلٌ فَأَتَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ: إِنِّي أَجْنَبْتُ فَلَمْ أَجِدْ مَاءً. قَالَ: لَا تُصَلِّ. قَالَ لَهُ عَمَّارٌ: أَمَا تَذْكُرُ أَنَّا كُنَّا فِي سَرِيَّةٍ فَأَجْنَبْنَا: فَأَمَّا أَنْتَ فَلَمْ تُصَلِّ، وَأَمَّا أَنَا فَإِنِّي تَمَعَّكْتُ فَصَلَّيْتُ، ثُمَّ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ: «إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ وَضَرَبَ شُعْبَةُ بِكَفِّهِ ضَرْبَةً وَنَفَخَ فِيهَا، ثُمَّ دَلَكَ إِحْدَاهُمَا بِالْأُخْرَى، ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ» فَقَالَ عُمَرُ شَيْئًا لَا أَدْرِي مَا هُوَ , فَقَالَ: إِنْ شِئْتَ لَا حَدَّثْتُهُ , وَذَكَرَ شَيْئًا فِي هَذَا الْإِسْنَادِ عَنْ أَبِي مَالِكٍ، وَزَادَ سَلَمَةُ قَالَ: بَلْ نُوَلِّيكَ مِنْ ذَلِكَ مَا تَوَلَّيْتَتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: [قال الألباني: ق، صحيح مضى ص 165 - 166]]تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح
ইব্‌ন আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি জানাবাতগ্রস্ত হলে উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এসে বলল, আমি জানাবাত অবস্থায় উপনীত হয়েছি কিন্তু পানি পাই না। তিনি বললেন, তুমি সালাত আদায় করবে না। তখন আম্মার বললেন, আপনার কি স্মরণ নেই যে, আমরা এক যুদ্ধে ছিলাম। আমরা জানাবাত অবস্থায় পতিত হলাম, তখন আমরা পানি পাইনি, এতে আপনি সালাত আদায় করলেন না কিন্তু আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম এবং সালাত আদায় করলাম। পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তা বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট ছিল, এ বলে শু‘বা (রাহিমাহুল্লাহ) একবার মাটিতে হাত মারলেন আর তাতে ফুঁ দিলেন আর তা দিয়ে এক হাত অন্য হাতের সাথে ঘষলেন এবং উভয় হাত দ্বারা তার মুখমণ্ডল মসেহ করলেন। তখন উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি জানি না এটা কী? আম্মার বললেন, যদি আপনি চান তাহলে আমি এটা বর্ণনা করব না। সালামার বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে যে, উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তুমি যা বর্ণনা করলে, তার দায়দায়িত্ব তোমার।

সুনান আন-নাসাঈ (318)