أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ أَبُو الْخَطَّابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكَّارٍ الْحَكَمُ بْنُ فَرُّوخَ، قَالَ: صَلَّى بِنَا أَبُو الْمَلِيحِ عَلَى جَنَازَةٍ فَظَنَنَّا أَنَّهُ قَدْ كَبَّرَ، فَأَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، فَقَالَ: أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ وَلْتَحْسُنْ شَفَاعَتُكُمْ، قَالَ أَبُو الْمَلِيحِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ وَهُوَ ابْنُ سَلِيطٍ، عَنْ إِحْدَى أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ وَهِيَ مَيْمُونَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: أَخْبَرَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا مِنْ مَيِّتٍ يُصَلِّي عَلَيْهِ أُمَّةٌ مِنَ النَّاسِ إِلَّا شُفِّعُوا فِيهِ»، فَسَأَلْتُ أَبَا الْمَلِيحِ عَنِ الْأُمَّةِ: فَقَالَ: أَرْبَعُونَتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্‌ন ফাররুখ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রাহিমাহুল্লাহ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর।

আবূল মালিহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্‌ন সালীত (রাহিমাহুল্লাহ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।

সুনান আন-নাসাঈ (1993)