حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَخْبَرَتْهُ بِهَذَا الْحَدِيثِ، قَالَ فِيهِ فَأَبَى أَبُو بَكْرٍ رضى الله عنه عَلَيْهَا ذَلِكَ وَقَالَ لَسْتُ تَارِكًا شَيْئًا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْمَلُ بِهِ إِلاَّ عَمِلْتُ بِهِ إِنِّي أَخْشَى إِنْ تَرَكْتُ شَيْئًا مِنْ أَمْرِهِ أَنْ أَزِيغَ فَأَمَّا صَدَقَتُهُ بِالْمَدِينَةِ فَدَفَعَهَا عُمَرُ إِلَى عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ رضى الله عنهم فَغَلَبَهُ عَلِيٌّ عَلَيْهَا وَأَمَّا خَيْبَرُ وَفَدَكُ فَأَمْسَكَهُمَا عُمَرُ وَقَالَ هُمَا صَدَقَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَتَا لِحُقُوقِهِ الَّتِي تَعْرُوهُ وَنَوَائِبِهِ وَأَمْرُهُمَا إِلَى مَنْ وَلِيَ الأَمْرَ ‏.‏ قَالَ فَهُمَا عَلَى ذَلِكَ إِلَى الْيَوْمِ ‏.‏تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (3092) صحیح مسلم (1759)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح. صالح: هو ابن كيسان. وأخرجه البخاري (٣٠٩٢) و (٣٠٩٣)، ومسلم (١٧٥٩) من طريق إبراهيم بن سعد، بهذا الإسناد. وهو في "مسند أحمد" (٢٥). وانظر سابقيه. قال الخطابي: تعرُوه، أى: تغشاه وتنتابه، يقال: عَراني ضيفٌ، وعراني همٌ أي: نزل بي.
‘উরওয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্র হতে বর্ণিত, ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে এ হাদীস অবহিত করেন। ‘উরওয়াহ এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ফাত্বিমাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এ সম্পদের অংশ দিতে অসম্মতি জানালেন। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন নীতিই বর্জন করবো না। তিনি যেটা যেভাবে করেছেন আমি ঠিক সেভাবেই তা করবো। আমার আশঙ্কা হচ্ছে, আমি তাঁর হুকুমের সামান্য ব্যতিক্রম করলে আমি বাঁকা পথে চলে যাবো। বর্ণনাকারী বলেন, মাদীনাহতে অবস্থিত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সদাক্বাহর সম্পত্তি ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ‘আলী ও ‘আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কাছে অর্পণ করলেন। পরে ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একাই তা দখল করে নেন। খায়বার ও ফাদাকের সম্পত্তি ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের তত্ত্বাবধানে রাখেন। তিনি বললেন, এ দু’টি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সদাক্বাহর মাল। তাঁর প্রয়োজন পুরণের জন্য এটি খরচ হতো। তিনি এ সম্পদ রাষ্ট্রপ্রাধানের তত্ত্বাবধানে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় পর্যন্ত তা এভাবেই ছিল।

সুনান আবী দাউদ (2970)