حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ صَدَقَةِ، عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضى الله عنه قَالَ نَسَخَهَا لِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا كَتَبَ عَبْدُ اللَّهِ عُمَرُ فِي ثَمْغٍ فَقَصَّ مِنْ خَبَرِهِ نَحْوَ حَدِيثِ نَافِعٍ قَالَ غَيْرَ مُتَأَثِّلٍ مَالاً فَمَا عَفَا عَنْهُ مِنْ ثَمَرِهِ فَهُوَ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ - قَالَ وَسَاقَ الْقِصَّةَ - قَالَ وَإِنْ شَاءَ وَلِيُّ ثَمْغٍ اشْتَرَى مِنْ ثَمَرِهِ رَقِيقًا لِعَمَلِهِ وَكَتَبَ مُعَيْقِيبٌ وَشَهِدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الأَرْقَمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا أَوْصَى بِهِ عَبْدُ اللَّهِ عُمَرُ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ إِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ أَنَّ ثَمْغًا وَصِرْمَةَ بْنَ الأَكْوَعِ وَالْعَبْدَ الَّذِي فِيهِ وَالْمِائَةَ سَهْمٍ الَّتِي بِخَيْبَرَ وَرَقِيقَهُ الَّذِي فِيهِ وَالْمِائَةَ الَّتِي أَطْعَمَهُ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم بِالْوَادِي تَلِيهِ حَفْصَةُ مَا عَاشَتْ ثُمَّ يَلِيهِ ذُو الرَّأْىِ مِنْ أَهْلِهَا أَنْ لاَ يُبَاعَ وَلاَ يُشْتَرَى يُنْفِقُهُ حَيْثُ رَأَى مِنَ السَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ وَذِي الْقُرْبَى وَلاَ حَرَجَ عَلَى مَنْ وَلِيَهُ إِنْ أَكَلَ أَوْ آكَلَ أَوِ اشْتَرَى رَقِيقًا مِنْهُ ‏.‏تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح وجادةتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن ، وللحدیث شواھد منھا الحدیث السابق (2878)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح عن يحيى بن سعيد -وهو الأنصاري- كما قال ابن الملقن في "البدر المنير" ٧/ ١٠٨، وتبعه الحافظُ في "التلخيص الحبير" ٣/ ٦٩ الليث: هو ابن سعد، وابن وهب: هو عبد الله، سليمان بن داود المَهري: هو ابن حماد. وأخرجه البيهقي ٦/ ١٠٦ من طريق محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن عبد الله بن وهب، بهذا الإسناد. قوله: "ثمغ" قال ياقوت: بالفتح ثم السكون والغين معجمة، موضع مال لعمر ابن الخطاب ﵁ حَبَسَه، أي: وقفه، جاء ذكره في الحديث الصحيح، وقيده بعض المغاربة بالتحريك، والثمغ بالتسكين مصدر ثمغتُ رأسه: شدخته، وثمغت الثوب، أي: أشبعت صبغه. ومُعَيقيب، بقاف وآخره موحدة، مُضغّر، هو ابن أبي فاطمة الدَّوسي، حليف بني عبد شمس، من السابقين الأولين، هاجر الهجرتين، وشهد المشاهد، وولي بيت المال لعمر، ومات في خلافة عثمان أو علي. وعبد الله بن الأرقم: هو ابن عبد يغوث بن وهب بن عبد مناف بن زهرة القرشي، صحابي معروف، ولاه عمرُ بيت المال، ومات في خلافة عثمان. والصِّرمة: قال في "النهاية": الصرمة هنا: القطعة الخفيفة من النخل، وقيل: من الإبل.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ওয়াক্‌ফ দলীল সম্পর্কে বলেন, ‘আবদুল হামীদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে ওয়াক্‌ফ দলীলটির অনুলিপি দিয়েছেন। (তা হলো) বিস্‌মিল্লাহির রহমানির রহীম। আল্লাহর বান্দা ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার ‘সামাগ’ নামক ফলের বাগান ওয়াক্‌ফ করেছেন- এটা তারই দলীল। অতঃপর ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ পুরো হাদীস নাফি’ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এই ওয়াক্‌ফকৃত সম্পত্তির আয় সঞ্চয় করা যাবে না। দলীলে উল্লেখিত খাতসমূহে এ সম্পত্তির আয় খরচ করার পর কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা ভিক্ষুক এবং বঞ্চিতদের জন্য ব্যয় করবে। অতঃপর ইয়াহইয়া সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করেন। দলীলে এও উল্লেখ ছিল, ‘সামাগ’ এর মোতাওয়াল্লী প্রয়োজনে বাগানের আয় থেকে দাস ক্রয় করতে পারবে (বাগান দেখাশুনার জন্য)। ওয়াক্‌ফের এই দলীল মু’আইকিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নাক্বল করেন এবং এর সাক্ষী হন ‘আবদুল্লাহ ইবনু আকরাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। দলীলের অনুলিপি এরূপঃ “বিস্‌মিল্লাহির রহমানির রহীম। আল্লাহর বান্দা এবং মুমিনগণের নেতা ‘উমার এ ওসিয়াত করছেন। তার মৃত্যুর পর সামাগের সম্পত্তি, সিরমা ইবনুল আকওয়া’ (বাগান) এবং এখানে কর্মরত গোলাম, খায়বারের একশো ভাগ জমি এবং সেখানে কর্মরত গোলাম এবং খায়বারের নিকটস্থ উপত্যকায় মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যে একশো ভাগ জমি প্রদান করেছেন- এগুলোর আজীবন মোতাওয়াল্লী হবেন হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তার মৃত্যুর পর এর মোতাওয়াল্লী হবে তার পরিবারের বিচক্ষণ ব্যক্তি। মোতাওয়াল্লী এসব শর্তগুলো মানবেঃ “এ সম্পত্তি বিক্রি করা যাবে না। ক্রয় করে এর সাথে আর সম্পত্তি যোগ করা যাবে না। মোতাওয়াল্লী তার বুঝ অনুযায়ী এর আয় ভিক্ষুক, বঞ্চিত এবং গরীব নিকট আত্নীয়দের জন্য ব্যয় করবেন। তিনি এ থেকে প্রয়োজন পরিমাণ পরিমাণ নিতে পারবেন এবং গোলাম ক্রয় করতে পারবেন”।

সুনান আবী দাউদ (2879)