حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُمَامَةَ التَّيْمِيُّ، قَالَ كُنْتُ رَجُلاً أُكْرِي فِي هَذَا الْوَجْهِ وَكَانَ نَاسٌ يَقُولُونَ لِي إِنَّهُ لَيْسَ لَكَ حَجٌّ فَلَقِيتُ ابْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنِّي رَجُلٌ أُكْرِي فِي هَذَا الْوَجْهِ وَإِنَّ نَاسًا يَقُولُونَ لِي إِنَّهُ لَيْسَ لَكَ حَجٌّ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ أَلَيْسَ تُحْرِمُ وَتُلَبِّي وَتَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَتُفِيضُ مِنْ عَرَفَاتٍ وَتَرْمِي الْجِمَارَ قَالَ قُلْتُ بَلَى ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ لَكَ حَجًّا جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ عَنْ مِثْلِ مَا سَأَلْتَنِي عَنْهُ فَسَكَتَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ حَتَّى نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏{‏ لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَبْتَغُوا فَضْلاً مِنْ رَبِّكُمْ ‏}‏ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَرَأَ عَلَيْهِ هَذِهِ الآيَةَ وَقَالَ ‏"‏ لَكَ حَجٌّ ‏"‏ ‏.‏تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح ، صححہ ابن خزیمۃ (3051 وسندہ صحیح)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . مسدَّدٌ : هو ابن مسرهد الأسدي، وأبو أمامة التيمي : وقيل : أبو أميمة . وثقه ابن معين، وقال أبو زرعة : لا بأس به . وأخرجه الدارقطني في " سننه " (٢٧٥١) ، والحاكم في " المستدرك " ١ / ٤٤٩، والبيهقي ٤ / ٣٣٣ و ٦ / ١٢١ من طريق عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد . وأخرجه بنحوه أحمد في " مسنده " (٦٤٣٥) ، والطبري في " تفسيره " ٢ / ٢٨٥، والدارقطني في " سننه " (٢٧٥٣) و (٢٧٥٥) من طريق سفيان الثوري، والدارقطني (٢٧٥٢) من طريق مروان بن معاوية، كلاهما عن العلاء بن المسيب، به . وأخرجه بنحوه أيضاً أحمد في " مسنده " (٦٤٣٤) ، والطبري في " تفسيره " ٢ / ٢٨٢، والدارقطني في " سننه " (٢٧٥٦) من طريق الحسن بن عمرو الفقيمي، والطبري في " تفسيره " ٢ / ٢٨٣ من طريق شعبة، كلاهما عن أبي أمامة، به . وقوله : أُكرِي : مِن أَكرَى يكرِي إِكراء، بمعنى : آجرته فاستأجر، وهو مؤاجرة الإبل ونحوها للحج .
আবূ উমামাহ আত-তাইমী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এমন লোক যে, হাজ্জের সময় আমার পশু ভাড়ায় খাটাতাম। তাই কতিপয় লোক বললো, তোমার হাজ্জ হয়নি। তাই আমি ইবনু ‘উমারের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সাথে সাক্ষাত করে বললাম, হে আবূ ‘আবদূর রহমান! আমি এমন ব্যক্তি যে, হাজ্জের সফরে পশু ভাড়ায় খাটাই। কতিপয় লোক বলে, তোমার হাজ্জ হয় না। তখন ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেলেন, তুমি কি ইহরাম বেঁধেছো, তালবিয়া পাঠ করেছো, বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেছো, আরাফাত থেকে ঘুরে এসেছো, কংকর নিক্ষেপ করেছো? আমি বললাম, হা! তিনি বললেন, তোমার হাজ্জ হয়ে গেছে। একদা এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁকে প্রশ্ন করলো যেরূপ তুমি আমাকে প্রশ্ন করলে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন বক্তব্য না দিয়ে কিছুক্ষণ নীরব রইলেন। অবশেষে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “এ ব্যপারে তোমাদের কোন দোষ নেই যদি (হাজ্জের মওসুমে) তোমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তোমাদের রবের অনুগ্রহ তালাশ করো।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত ব্যক্তিকে ডেকে পাঠিয়ে তাকে এ আয়াত পড়ে শুনালেন এবং বললেন, তোমার হাজ্জ হয়েছে। [১৭৩৩]

সুনান আবী দাউদ (1733)