حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، - قَالَ الْحَسَنُ فِي حَدِيثِهِ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُرَغِّبُ فِي قِيَامِ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ أَنْ يَأْمُرَهُمْ بِعَزِيمَةٍ ثُمَّ يَقُولُ " مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " . فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ ثُمَّ كَانَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ فِي خِلاَفَةِ أَبِي بَكْرٍ - رضى الله عنه - وَصَدْرًا مِنْ خِلاَفَةِ عُمَرَ رضى الله عنه . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَا رَوَاهُ عُقَيْلٌ وَيُونُسُ وَأَبُو أُوَيْسٍ " مَنْ قَامَ رَمَضَانَ " . وَرَوَى عُقَيْلٌ " مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَامَهُ " .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح ق لكن خ جعل قوله فتوفي رسول الله ... من كلام الزهريتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (759)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . معمر : هو ابن راشد، والزهري : هو محمد، وأبو سلمة : هو ابن عبد الرحمن بن عوف . وهو عند عبد الرزاق في " مصنفه " ( ٧٧١٩ ) ، ومن طريقه أخرجه مسلم ( ٧٥٩ ) ، والترمذي ( ٨١٩ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ٢٥١٩ ). وهو عند مالك في " الموطأ " ١ / ١١٣، ومن طريقه أخرجه النسائى ( ١٢٩٨ ) وأخرجه البخاري ( ٢٠٠٨ ) ، والنسائي ( ٢٥١٥ ) و ( ٢٥١٧ ) و ( ٢٥١٨ ) و ( ٢٥٢٤ ) من طرق عن الزهري، به . وأخرجه البخاري ( ٣٧ ) و ( ٢٠٠٩ ) ، ومسلم ( ٧٥٩ ) ، والنسائي ( ١٢٩٧ ) و ( ١٢٩٨ ) و ( ٢٥٢٠ ) و ( ٢٥٢١ ) و ( ٢٥٢٢ ) و ( ٣٤١٠ ) و ( ٣٤١١ ) من طريق حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، به . وهو في " مسند أحمد " ( ٧٧٨٧ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ٢٥٤٦ ). وانظر ما بعده . وقوله : " غفر له ما تقدم من ذنبه " ، قال صاحب " بذل المجهود " ٧ / ١٤٨ : ظاهره يتناول الصغائر والكبائر وبه جزم ابن المنذر، وقال النووي : المعروف أنه يختص بالصغائر، وبه جزم إمام الحرمين، وعزاه القاضي عياض لأهل السنة . وقال بعضهم : ويجوز أن يخفف من الكبائر إذا لم يصادف صغيرة .
আবু হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযান মাসের ক্বিয়ামে খুবই উৎসাহী ছিলেন। তবে তিনি এ ব্যাপারে লোকদের প্রতি কঠোর নির্দেশ দিতেন না। তিনি বলতেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযানের রাতে সলাতে দাঁড়ায়, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল পর্যন্ত এর বিধান এরূপই থাকলো। অতঃপর আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর পূর্ণ খিলাফাত ও ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর খিলাফাতের প্রথম দিকেও এ নিয়ম চালূ থাকে।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। কিন্তু বুখারীতে “রাসূলুল্লাহর ইন্তিকাল পর্যন্ত...” অংশটুকু যুহরীর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ‘উক্বাইল, ইউনুস ও আবূ উওয়ায়স। তবে তাতে রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি রমযানের সওম পালন ও ক্বিয়াম করে’।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। কিন্তু বুখারীতে “রাসূলুল্লাহর ইন্তিকাল পর্যন্ত...” অংশটুকু যুহরীর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ‘উক্বাইল, ইউনুস ও আবূ উওয়ায়স। তবে তাতে রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি রমযানের সওম পালন ও ক্বিয়াম করে’।
সুনান আবী দাউদ (1371)