حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْثَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صِيَامُ شَهْرٍ فَلْيُطْعِمْ عَنْهُ مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا " .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَالصَّحِيحُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفٌ قَوْلُهُ . وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي هَذَا الْبَابِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ يُصَامُ عَنِ الْمَيِّتِ . وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ قَالاَ إِذَا كَانَ عَلَى الْمَيِّتِ نَذْرُ صِيَامٍ يَصُومُ عَنْهُ وَإِذَا كَانَ عَلَيْهِ قَضَاءُ رَمَضَانَ أَطْعَمَ عَنْهُ . وَقَالَ مَالِكٌ وَسُفْيَانُ وَالشَّافِعِيُّ لاَ يَصُومُ أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ . قَالَ وَأَشْعَثُ هُوَ ابْنُ سَوَّارٍ . وَمُحَمَّدٌ هُوَ عِنْدِي ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيفتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن ماجہ (1757)، أشعث بن سوار ومحمد بن أبي لیلی ضعیفان، (انوار الصحیفہ ص 208)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف أشعث - وهو ابن سوار -، ومحمد - وهو ابن عبد الرحمن بن أبي ليلى - سيئ الحفظ.
وأخرجه ابن ماجه (1757). وهو في "شرح السنة" للبغوي (1775).
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَالصَّحِيحُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفٌ قَوْلُهُ . وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي هَذَا الْبَابِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ يُصَامُ عَنِ الْمَيِّتِ . وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ قَالاَ إِذَا كَانَ عَلَى الْمَيِّتِ نَذْرُ صِيَامٍ يَصُومُ عَنْهُ وَإِذَا كَانَ عَلَيْهِ قَضَاءُ رَمَضَانَ أَطْعَمَ عَنْهُ . وَقَالَ مَالِكٌ وَسُفْيَانُ وَالشَّافِعِيُّ لاَ يَصُومُ أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ . قَالَ وَأَشْعَثُ هُوَ ابْنُ سَوَّارٍ . وَمُحَمَّدٌ هُوَ عِنْدِي ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيفتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن ماجہ (1757)، أشعث بن سوار ومحمد بن أبي لیلی ضعیفان، (انوار الصحیفہ ص 208)تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف أشعث - وهو ابن سوار -، ومحمد - وهو ابن عبد الرحمن بن أبي ليلى - سيئ الحفظ.
وأخرجه ابن ماجه (1757). وهو في "شرح السنة" للبغوي (1775).
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি এক মাসের রোযা অসম্পন্ন রেখে মৃত্যু বরণ করে তার পক্ষ হতে প্রতিদিনের রোযার জন্য একজন করে মিস্কীনকে যেন খাওয়ানো হয়।
যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৭৫৭)
আবূ ঈসা বলেন, শুধুমাত্র এই সনদেই আমরা ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত হাদীসটি মারফূ হিসেবে অবগত হয়েছি। ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর উক্তি হিসাবে মাওকূফরূপে বর্ণনাটিই সহীহ্। মৃতের পক্ষ হতে জীবিতরা রোযা রাখতে পারবে কি না এই প্রসঙ্গে আলিমগণের মাঝে মতের অমিল আছে। একদল আলিম বলেছেন, মৃত ব্যক্তির পক্ষে রোযা রাখা যায়। আহ্মাদ ও ইসহাকের এই মত। তারা বলেন, মৃত ব্যক্তির ওপর যদি মানতের রোযা অসম্পন্ন থাকে তবে তার পক্ষ হতে সেই রোযা রাখা যাবে। আর যদি তার দায়িত্বে রামাযান মাসের রোযা বাকি থাকে তবে তার পক্ষ থেকে মিসকীনদের খাওয়াতে হবে। ইমাম মালিক, সুফিয়ান ও শাফিঈ বলেন, একজন অন্য জনের পক্ষ হতে রোযা রাখতে পারবে না। আশআস হলেন সাওয়ারের পুত্র এবং মুহাম্মদ হলেন আবদুল রহমান ইবনু আবী লাইলার পুত্র।
যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৭৫৭)
আবূ ঈসা বলেন, শুধুমাত্র এই সনদেই আমরা ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত হাদীসটি মারফূ হিসেবে অবগত হয়েছি। ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর উক্তি হিসাবে মাওকূফরূপে বর্ণনাটিই সহীহ্। মৃতের পক্ষ হতে জীবিতরা রোযা রাখতে পারবে কি না এই প্রসঙ্গে আলিমগণের মাঝে মতের অমিল আছে। একদল আলিম বলেছেন, মৃত ব্যক্তির পক্ষে রোযা রাখা যায়। আহ্মাদ ও ইসহাকের এই মত। তারা বলেন, মৃত ব্যক্তির ওপর যদি মানতের রোযা অসম্পন্ন থাকে তবে তার পক্ষ হতে সেই রোযা রাখা যাবে। আর যদি তার দায়িত্বে রামাযান মাসের রোযা বাকি থাকে তবে তার পক্ষ থেকে মিসকীনদের খাওয়াতে হবে। ইমাম মালিক, সুফিয়ান ও শাফিঈ বলেন, একজন অন্য জনের পক্ষ হতে রোযা রাখতে পারবে না। আশআস হলেন সাওয়ারের পুত্র এবং মুহাম্মদ হলেন আবদুল রহমান ইবনু আবী লাইলার পুত্র।
সুনান আত-তিরমিযী (718)