حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الأَخْنَسِ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ كَانَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ مَرْثَدُ بْنُ أَبِي مَرْثَدٍ وَكَانَ رَجُلاً يَحْمِلُ الأَسْرَى مِنْ مَكَّةَ حَتَّى يَأْتِيَ بِهِمُ الْمَدِينَةَ قَالَ وَكَانَتِ امْرَأَةٌ بَغِيٌّ بِمَكَّةَ يُقَالُ لَهَا عَنَاقُ وَكَانَتْ صَدِيقَةً لَهُ وَإِنَّهُ كَانَ وَعَدَ رَجُلاً مِنْ أُسَارَى مَكَّةَ يَحْمِلُهُ قَالَ فَجِئْتُ حَتَّى انْتَهَيْتُ إِلَى ظِلِّ حَائِطٍ مِنْ حَوَائِطِ مَكَّةَ فِي لَيْلَةٍ مُقْمِرَةٍ . قَالَ فَجَاءَتْ عَنَاقُ فَأَبْصَرَتْ سَوَادَ ظِلِّي بِجَنْبِ الْحَائِطِ فَلَمَّا انْتَهَتْ إِلَىَّ عَرَفَتْهُ فَقَالَتْ مَرْثَدُ فَقُلْتُ مَرْثَدُ . فَقَالَتْ مَرْحَبًا وَأَهْلاً هَلُمَّ فَبِتْ عِنْدَنَا اللَّيْلَةَ . قَالَ قُلْتُ يَا عَنَاقُ حَرَّمَ اللَّهُ الزِّنَا . قَالَتْ يَا أَهْلَ الْخِيَامِ هَذَا الرَّجُلُ يَحْمِلُ أَسْرَاكُمْ . قَالَ فَتَبِعَنِي ثَمَانِيَةٌ وَسَلَكْتُ الْخَنْدَمَةَ فَانْتَهَيْتُ إِلَى كَهْفٍ أَوْ غَارٍ فَدَخَلْتُ فَجَاءُوا حَتَّى قَامُوا عَلَى رَأْسِي فَبَالُوا فَطَلَّ بَوْلُهُمْ عَلَى رَأْسِي وَأَعْمَاهُمُ اللَّهُ عَنِّي . قَالَ ثُمَّ رَجَعُوا وَرَجَعْتُ إِلَى صَاحِبِي فَحَمَلْتُهُ وَكَانَ رَجُلاً ثَقِيلاً حَتَّى انْتَهَيْتُ إِلَى الإِذْخِرِ فَفَكَكْتُ عَنْهُ كَبْلَهُ فَجَعَلْتُ أَحْمِلُهُ وَيُعِينُنِي حَتَّى قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْكِحُ عَنَاقًا مَرَّتَيْنِ فَأَمْسَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَرُدَّ عَلَىَّ شَيْئًا حَتَّى نَزَلَتِ : (الزَّانِي لاَ يَنْكِحُ إِلاَّ زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لاَ يَنْكِحُهَا إِلاَّ زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ وَحُرِّمَ ذَلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ ) فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا مَرْثَدُ الزَّانِي لاَ يَنْكِحُ إِلاَّ زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لاَ يَنْكِحُهَا إِلاَّ زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ فَلاَ تَنْكِحْهَا " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن الإسنادتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن الإسنادتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن
আমর ইবনু শু'আইব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবার ও তার দাদা হতে বর্ণিত, মারসাদ ইবনু আবী মারসাদ নামক এক লোক যুদ্ধবন্দীদেরকে মক্কা হতে মদিনায় নিয়ে যেতেন। বর্ণনাকারী বলেন, আনাক্ব নামে মক্কার এক দুশ্চরিত্রা নারী এই মারসাদের প্রেমিকা ছিল। সে (আবু মারসাদ) মক্কার এক বন্দি কে কথা দিয়েছিল যে, সে তাকে মদিনায় নিয়ে যাবে। মারসাদ বলেন, আমি এই উদ্দেশে রওনা হয়ে এক পূর্ণিমা রাতে মক্কার এক প্রাচীরের ছায়ায় পৌঁছলাম। আনাক্ব ও এলো। সে প্রাচীর গাত্রে আমার কাল ছায়া দেখতে পেলো। সে আমার নিকট পৌঁছে আমাকে চিনে ফেলল। সে প্রশ্ন করলোঃ মারসাদ নাকি? আমি বললাম, মারসাদ। সে আমাকে অভ্যর্থনা জানায় এবং বলে, এসো এ রাতটা আমার সাথে কাটাও। আমি বললাম, হে আনাক্ব! আল্লাহ্ তা'আলা যিনা হারাম করে দিয়েছেন। সে (নিজেদের তাবুতে ফিরে গিয়ে)বলল, হে তাবুর অধিবাসীরা! এই ব্যক্তি তোমাদের বন্দীদের নিয়ে যাচ্ছে। এ কথা শোনা মাত্র আটজন আমার পিছু নিলো। আমি চলতে চলতে খানদামা পাহাড়ে গিয়ে একটি গুহা পেয়ে তাতে ঢুকে পড়লাম। লোকগুলিও আমার পিছে পিছে আসলো। তারা গুহাটিকে খালি মনে করে আমার মাথায় পেশাব করে দিলো। তাদের পেশাব আমার মাথায় এসে পড়লো। আল্লাহ্ তা'আলা এই লোকগুলিকে আমাকে দেখার ব্যাপারে অন্ধ করে দিলেন (তারা আমাকে দেখতে পেলো না)। তারা ফিরে গেলো, আমিও যাকে আনতে গিয়েছিলাম তার নিকট ফিরে এলাম। আমি তাকে তুলে নিলাম। তার দেহের ওজন খুব বেশি ছিল। আমি তাকে নিয়ে ইযখির নামক স্থানে পৌঁছে তার জিঞ্জীর খুলে দিলাম। আমি তাকে পিঠে তুলে নিলাম। তাকে বহন করা আমার জন্য কষ্টদায়ক হয়ে পড়ল। অবশেষে আমি মদিনায় পৌঁছে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসুল! আনাক্বকে আমি বিয়ে করতে পারি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন এবং আমার কথার কোন উত্তর দিলেন না। অবশেষে এই আয়াত অবতীর্ণ হলঃ "যিনাকারী পুরুষ যিনাকারিনী নারী বা মুশরিক নারীকেই কে বিবাহ করবে, আর যিনাকারিনী নারীকে শুধু যিনাকারী অথবা মুশরিক পুরুষরাই বিবাহ করবে আর মুমিনদের জন্য তা হারাম করা হয়েছে"- (সূরা আন-নূর ৩)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মারসাদ, ব্যাভিচারী পুরুষ শুধু ব্যাভিচারী নারীকে বা মুশরিক নারীকেই বিয়ে করবে। আর ব্যাভিচারিনীকে শুধু ব্যাভিচারী পুরুষ অথবা মুশরিক লোকই বিবাহ করবে। অতএব তুমি তাকে বিয়ে করোনা।
সনদ হাসান।
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। শুধু উল্লেখিত সনদেই আমরা হাদীসটি জেনেছি।
সনদ হাসান।
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। শুধু উল্লেখিত সনদেই আমরা হাদীসটি জেনেছি।
সুনান আত-তিরমিযী (3177)