حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، وَالأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي عَالَجْتُ امْرَأَةً فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَإِنِّي أَصَبْتُ مِنْهَا مَا دُونَ أَنْ أَمَسَّهَا وَأَنَا هَذَا فَاقْضِ فِيَّ مَا شِئْتَ . فَقَالَ لَهُ عُمَرُ لَقَدْ سَتَرَكَ اللَّهُ لَوْ سَتَرْتَ عَلَى نَفْسِكَ . فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا فَانْطَلَقَ الرَّجُلُ فَأَتْبَعَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً فَدَعَاهُ فَتَلاَ عَلَيْهِِمِ : ( أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ ) إِلَى آخِرِ الآيَةِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ هَذَا لَهُ خَاصَّةً قَالَ " لاَ بَلْ لِلنَّاسِ كَافَّةً " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَهَكَذَا رَوَى إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ وَالأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ وَرِوَايَةُ هَؤُلاَءِ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ الثَّوْرِيِّ وَرَوَى شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنِ الأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَهَكَذَا رَوَى إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ وَالأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ وَرِوَايَةُ هَؤُلاَءِ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ الثَّوْرِيِّ وَرَوَى شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنِ الأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم
আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি মাদীনার শেষ প্রান্তে এক মহিলাকে স্পর্শ করেছি এবং আমি তার সাথে সহবাস ব্যতীত সবই করেছি। আমি এখন আপনার নিকট এসেছি। আপনি যা ইচ্ছা আমার ব্যাপারে ফাইসালা করেন। ‘উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে বললেন, আল্লাহ তা’আলা তোমার অপরাধ গোপন রেখেছেন, এখন তুমিও যদি তা গোপন রাখতে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারো কথায় প্রতিউত্তর করলেন না। লোকটি উঠে চলে যাওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনেন এবং এই আয়াত পাঠ করে শুনান (অনুবাদ) : “তুমি নামায কায়েম কর দিনের দুই প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজসমুহ অন্যায় কাজসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ’’ (সুরা হূদ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন বলল, এটা কি শুধু তার বেলায় প্রযোজ্য? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, বরং সকলের জন্য।
হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (১৩৯৮), মুসলিম।
আবু ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটী হাসান সহীহ। এভাবেই ইসরাঈল সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহীমে হতে, তিনি আলকামাহ ও আসওয়াদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। সুফিইয়ান সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ) সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহীম হতে, তিনি ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে , তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। সাওরীর রিওয়ায়াত অপেক্ষা এদের রিওয়ায়াত অনেক বেশি সহীহ। এটিকে সিমাক ইবনু হারব-ইব্রাহীম হতে, তিনি আসওয়াদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে শু’বাহও একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াইহিয়া নায়সাবুরী –মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ হতে, তিনি সুফইয়ান সাওরী হতে, তিনি আ’মাশ হতে, তিনি সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহিম হতে, তিনি ’আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মাসউদ ইবনু গাইলান –আল –ফাযল ইবনু মুসা হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহিম হতে, তিনি ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রেও একই মর্মে একই রকম বর্ণনা করেছেন। উক্ত বর্ণনায় অবশ্য আ’মাশের উল্লেখ নেই। এ হাদীস সুলাইমান আত-তাইমী (রাহিমাহুল্লাহ) আবু ‘উস্মান আন-নাহদী হতে, তিনি ইবনু মাস-উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (১৩৯৮), মুসলিম।
আবু ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটী হাসান সহীহ। এভাবেই ইসরাঈল সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহীমে হতে, তিনি আলকামাহ ও আসওয়াদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। সুফিইয়ান সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ) সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহীম হতে, তিনি ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে , তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। সাওরীর রিওয়ায়াত অপেক্ষা এদের রিওয়ায়াত অনেক বেশি সহীহ। এটিকে সিমাক ইবনু হারব-ইব্রাহীম হতে, তিনি আসওয়াদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে শু’বাহও একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াইহিয়া নায়সাবুরী –মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ হতে, তিনি সুফইয়ান সাওরী হতে, তিনি আ’মাশ হতে, তিনি সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহিম হতে, তিনি ’আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মাসউদ ইবনু গাইলান –আল –ফাযল ইবনু মুসা হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি সিমাক হতে, তিনি ইব্রাহিম হতে, তিনি ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রেও একই মর্মে একই রকম বর্ণনা করেছেন। উক্ত বর্ণনায় অবশ্য আ’মাশের উল্লেখ নেই। এ হাদীস সুলাইমান আত-তাইমী (রাহিমাহুল্লাহ) আবু ‘উস্মান আন-নাহদী হতে, তিনি ইবনু মাস-উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সুত্রে বর্ণনা করেছেন।
সুনান আত-তিরমিযী (3112)