حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، وَرَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أُمَيَّةَ، أَنَّهَا سَأَلَتْ عَائِشَةَ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ‏)‏ وَعَنْ قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ ‏)‏ فَقَالَتْ مَا سَأَلَنِي عَنْهَا أَحَدٌ مُنْذُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ هَذِهِ مُعَاتَبَةُ اللَّهِ الْعَبْدَ فِيمَا يُصِيبُهُ مِنَ الْحُمَّى وَالنَّكْبَةِ حَتَّى الْبِضَاعَةُ يَضَعُهَا فِي كُمِّ قَمِيصِهِ فَيَفْقِدُهَا فَيَفْزَعُ لَهَا حَتَّى إِنَّ الْعَبْدَ لَيَخْرُجُ مِنْ ذُنُوبِهِ كَمَا يَخْرُجُ التِّبْرُ الأَحْمَرُ مِنَ الْكِيرِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ‏.‏تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسنادتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، علي بن زید ضعیف وأمیۃ ذکرھا، الذھبي فی المجہولات (میزان الإعتدال604/4)، (انوار الصحیفہ ص 277)
উমাইয়্যা নাম্নী রাবী হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বারকাতময় আল্লাহ্ তা’আলার বাণী “তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর বা গোপন রাখ, আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব গ্রহণ করবেন” (সূরাঃ আল-বাকারা- ২৮৪) এবং “কেউ খারাপ কাজ করলে তার প্রতিদান সে পাবে” (সূরাঃ আন-নিসা- ১২৩) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার পর হতে এ পর্যন্ত আর কেউ আমার নিকট এ প্রসঙ্গে জানতে চায়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এর অর্থ হচ্ছে, আল্লাহ্ তা’আলা জ্বর ও বিভিন্ন বালা মুসিবত দ্বারা বান্দাকে যে সাজা দেন এটা হল তাই। এমনকি যে সামান্য জিনিসপত্র সে তার জামার হাতার মধ্যে রাখে তা হারিয়ে গেলে সে যে অস্থির হয় তাও (তাতেও তার গুনাহ মাফ হয়)। অবশেষে লাল সোনা যেমন হাঁপড় হতে (অগ্নিদগ্ধ হয়ে) নির্মল হয়ে বেরিয়ে আসে তেমনি বান্দাও তার গুনাহসমূহ হতে (পরিচ্ছন্ন হয়ে) মুক্তা হয়ে যায়।



সনদ দুর্বল।



আবূ ঈসা বলেনঃ আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এটিকে হাম্মাদ ইবনু সালামার সূত্র ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে জানি না।



-

সুনান আত-তিরমিযী (2991)