حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ تَطَوُّعًا حَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ وَهُوَ جَاءٍ مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ ثُمَّ قَرَأَ ابْنُ عُمَرَ هَذِهِ الآيَةَ ‏:‏ ‏(‏وَلِلَّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَفِي هَذَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح
ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা হতে মাদীনায় ফেরার পথে তাঁর সাওয়ারী তাঁকে নিয়ে যে অভিমুখে অগ্রসর হত তিনি সেদিকে ফিরেই নফল নামায আদায় করতেন। তারপর ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এই আয়াত পাঠ করেনঃ ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহ তা’আলারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাও সেদিকই আল্লাহ তা’আলার চেহারা” – (সূরা আল - বাক্বারাহ ১১৫)। ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এ প্রসঙ্গেই উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।



সহীহ : সিফাতুস সালাত, মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ক্বাতাদাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন যে, এর নির্দেশ রহিত (মানসূখ) হয়ে গেছে। রহিতকারী (নাসিখ) আয়াতটি হল : “অতএব তুমি মাসজিদুল হারামের দিকে তোমার মুখ ফিরাও” – (সূরা আল – বাক্বারাহ ১৪৪) । ‘শাতরাল মাসজিদিল হারাম” অর্থাৎ “কা’বার দিকে”। তার এই মত নিম্নোক্ত সূত্রে বর্ণিত হয়েছে : মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল মালিক ইবনু আবুশ শাওয়ারিব-ইয়াযীদ ইবনু যুরাইহ হতে, তিনি সা’ঈদ হতে, তিনি ক্বাতাদাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে। মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি “ফাছাম্মা ওয়াজহুল্লাহ” অর্থ করেছেন, “ফাসাম্মা ক্বিবলাতুল্লাহ” (সেদিকেই আল্লাহ তা’আলার ক্বিবলাহ রয়েছে)। তার এই মত নিম্নোক্ত সূত্রে বর্ণিতঃ আবূ কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল ‘আলা-ওয়াকী হতে, তিনি নাযর ইবনু ‘আরাবী হতে, তিনি মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে।

সানাদ সহীহ, মাকতূ’ ।

সুনান আত-তিরমিযী (2958)