حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، وَحَمْزَةَ، ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشُّؤْمُ فِي ثَلاَثَةٍ فِي الْمَرْأَةِ وَالْمَسْكَنِ وَالدَّابَّةِ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَبَعْضُ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ لاَ يَذْكُرُونَ فِيهِ عَنْ حَمْزَةَ إِنَّمَا يَقُولُونَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ فَقَالَ عَنْ سَالِمٍ وَحَمْزَةَ ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِمَا وَهَكَذَا رَوَى لَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ وَحَمْزَةَ ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِمَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح بزيادة إن كان الشؤم في
شيء ففيتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَبَعْضُ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ لاَ يَذْكُرُونَ فِيهِ عَنْ حَمْزَةَ إِنَّمَا يَقُولُونَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الزُّهْرِيِّ فَقَالَ عَنْ سَالِمٍ وَحَمْزَةَ ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِمَا وَهَكَذَا رَوَى لَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ وَحَمْزَةَ ابْنَىْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِمَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح بزيادة إن كان الشؤم في
شيء ففيتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (কুলক্ষণ সম্পর্কে কিছু থাকলে) এ তিনটিতে থাকতোঃ ১. নারী ২. ঘর ও ৩. জন্তু।
“কোন বস্তুতে কুলক্ষণ থাকলে” অংশসহ হদীসটি সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ঐ অংশ ব্যাতীত হাদীসটি শাযঃ সহীহাহ (৪৪৩, ৭৯৯, ১৮৯৭)
আবূ ‘ঈসা বলেন, ও হাদীসটি হাসান সহীহ । ইমাম বুখারীর কিছু শিষ্য অত্র হাদীসের সনদে বর্ণনাকারী হামযার উল্লেখ করেননি । তারা এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ সালিম-তার বাবা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে একইভাবে ইবনে আবি ‘ঊমারও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন সুফিইয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে, তারা যুহরী হতে তিনি ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা-তাদের বাবা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ।
সাঈদ ইবনু ‘আবদুর রহমান সুফিইয়ান হতে তিনি যুহরী হতে তিনি সালিম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে তার বাআব্র সুত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের সামর্থক হাদীস বর্ণনা করেছেন । এ সুত্রে সাঈদ ইবনু ‘আবদূর রাহমান হামযা হতে এভাবে উল্লেখ করেননি । সা’ঈদের রিওয়ায়াত আধিকতর সহীহ । কেনান ‘আলী ইবনুল মাদীনী ও হুমাইদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সুফইয়ানের সুত্রে বর্ণনা করেছেন । যুহরী আমাদের নিকট এ হাদীস শুধুমাত্র সালিম-ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সুত্রেই বর্ণনা করেছেন । মালিক ইবনু আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) এ হাদীসটি যুহরীর সুত্রে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা হতে –তাদের বাবার সুত্রে । এ অনুচ্ছেদে সাহল ইবনু সা’দ, আয়িশাহ ও আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে । অধিকন্তু নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ “কোন কিছুতে কুলক্ষণ বলতে থাকলে নারী, জন্তু ও ঘরের মধ্যেই থাকতো” ।
তাছাড়া হাকীম ইবনু মু’আবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতেশুনেছিঃ কুলক্ষম বলতে কিছু নেই । তবে কখনো কখনো ঘর, নারী ও ঘোড়ার মধ্যে শুভ লক্ষণ (বারাকাহ) দেখা যায় । সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৯৩০)
‘আলী ইবনে হুজর-ই’সমাইল ইবনু আইয়্যাশ হতে, তিনি সুলাইমান ইবনু সুলাইম হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু জাবির আত-তাঈ হতে, তিনি মু’আবিয়া ইবনু হাকীম হতে, তিনি তার চাচা হাসান ইবনু মু’আবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ।
“কোন বস্তুতে কুলক্ষণ থাকলে” অংশসহ হদীসটি সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ঐ অংশ ব্যাতীত হাদীসটি শাযঃ সহীহাহ (৪৪৩, ৭৯৯, ১৮৯৭)
আবূ ‘ঈসা বলেন, ও হাদীসটি হাসান সহীহ । ইমাম বুখারীর কিছু শিষ্য অত্র হাদীসের সনদে বর্ণনাকারী হামযার উল্লেখ করেননি । তারা এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ সালিম-তার বাবা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে একইভাবে ইবনে আবি ‘ঊমারও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন সুফিইয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে, তারা যুহরী হতে তিনি ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা-তাদের বাবা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ।
সাঈদ ইবনু ‘আবদুর রহমান সুফিইয়ান হতে তিনি যুহরী হতে তিনি সালিম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে তার বাআব্র সুত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের সামর্থক হাদীস বর্ণনা করেছেন । এ সুত্রে সাঈদ ইবনু ‘আবদূর রাহমান হামযা হতে এভাবে উল্লেখ করেননি । সা’ঈদের রিওয়ায়াত আধিকতর সহীহ । কেনান ‘আলী ইবনুল মাদীনী ও হুমাইদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সুফইয়ানের সুত্রে বর্ণনা করেছেন । যুহরী আমাদের নিকট এ হাদীস শুধুমাত্র সালিম-ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সুত্রেই বর্ণনা করেছেন । মালিক ইবনু আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) এ হাদীসটি যুহরীর সুত্রে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা হতে –তাদের বাবার সুত্রে । এ অনুচ্ছেদে সাহল ইবনু সা’দ, আয়িশাহ ও আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত রয়েছে । অধিকন্তু নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ “কোন কিছুতে কুলক্ষণ বলতে থাকলে নারী, জন্তু ও ঘরের মধ্যেই থাকতো” ।
তাছাড়া হাকীম ইবনু মু’আবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতেশুনেছিঃ কুলক্ষম বলতে কিছু নেই । তবে কখনো কখনো ঘর, নারী ও ঘোড়ার মধ্যে শুভ লক্ষণ (বারাকাহ) দেখা যায় । সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৯৩০)
‘আলী ইবনে হুজর-ই’সমাইল ইবনু আইয়্যাশ হতে, তিনি সুলাইমান ইবনু সুলাইম হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু জাবির আত-তাঈ হতে, তিনি মু’আবিয়া ইবনু হাকীম হতে, তিনি তার চাচা হাসান ইবনু মু’আবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই সূত্রে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ।
সুনান আত-তিরমিযী (2824)