حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ دِينَارٍ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يَدْخُلِ الْحَمَّامَ بِغَيْرِ إِزَارٍ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يُدْخِلْ حَلِيلَتَهُ الْحَمَّامَ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يَجْلِسْ عَلَى مَائِدَةٍ يُدَارُ عَلَيْهَا بِالْخَمْرِ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ طَاوُسٍ عَنْ جَابِرٍ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ لَيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ صَدُوقٌ وَرُبَّمَا يَهِمُ فِي الشَّىْءِ . قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ لَيْثٌ لاَ يُفْرَحُ بِحَدِيثِهِ كَانَ لَيْثٌ يَرْفَعُ أَشْيَاءَ لاَ يَرْفَعُهَا غَيْرُهُ فَلِذَلِكَ ضَعَّفُوهُ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسنتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، لیث بن أبي سلیم ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 269)
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ طَاوُسٍ عَنْ جَابِرٍ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ لَيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ صَدُوقٌ وَرُبَّمَا يَهِمُ فِي الشَّىْءِ . قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ لَيْثٌ لاَ يُفْرَحُ بِحَدِيثِهِ كَانَ لَيْثٌ يَرْفَعُ أَشْيَاءَ لاَ يَرْفَعُهَا غَيْرُهُ فَلِذَلِكَ ضَعَّفُوهُ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسنتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، لیث بن أبي سلیم ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 269)
জাবির (রা:) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ও পরকালের প্রতি যে লোক ঈমান রাখে সে যেন ইযার(লুঙ্গি) পরিহিত অবস্থা ছাড়া গোসলখানায় প্রবেশ না করে। আল্লাহ তা’আল ও পরকালের প্রতি যে লোক ঈমান রাখে সে যেন তার স্ত্রীকে গোসলখানায় প্রবেশ না করায়। আল্লাহ তা’আলা ও পরকালের প্রতি যে লোক ঈমান রাখে সে যেন এমন দস্তরখানে(খাদ্যের মাজলিসে) না বসে যেখানে মদ পরিবেশন করা হয়।
হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (১/৮৮-৮৯), ইরওয়াহ্(১৯৪৯), গাইয়াতুল মারাম (১৯০)।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই তাউস হতে জাবির (রা:)-এর বর্ণনা হিসেবে জেনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল(বুখারী)(রহ:) বলেন, লাইস ইবনু আবূ সুলাইম বর্ণনাকারী হিসেবে সত্যবাদী, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সন্দেহের শিকার হন। তিনি আরো বলেন, আহ্মাদ ইবনু হাম্বল(রহ:) বলেছেন যে, লাইসের বর্ণনায় উৎফুল্ল হওয়া যায় না। কেননা লাইস এমন কিছু বিষয় মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেন যা অন্যরা মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেন না। এই জন্যই তাকে যঈফ বলা হয়।
হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (১/৮৮-৮৯), ইরওয়াহ্(১৯৪৯), গাইয়াতুল মারাম (১৯০)।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই তাউস হতে জাবির (রা:)-এর বর্ণনা হিসেবে জেনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল(বুখারী)(রহ:) বলেন, লাইস ইবনু আবূ সুলাইম বর্ণনাকারী হিসেবে সত্যবাদী, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে সন্দেহের শিকার হন। তিনি আরো বলেন, আহ্মাদ ইবনু হাম্বল(রহ:) বলেছেন যে, লাইসের বর্ণনায় উৎফুল্ল হওয়া যায় না। কেননা লাইস এমন কিছু বিষয় মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেন যা অন্যরা মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেন না। এই জন্যই তাকে যঈফ বলা হয়।
সুনান আত-তিরমিযী (2801)