حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنْ أَحَدِكُمْ مَجْرَى الدَّمِ " . قُلْنَا وَمِنْكَ قَالَ " وَمِنِّي وَلَكِنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمُ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُهُمْ فِي مُجَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ . وَسَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ خَشْرَمٍ يَقُولُ قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ فِي تَفْسِيرِ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " وَلَكِنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمُ " . يَعْنِي أَسْلَمُ أَنَا مِنْهُ . قَالَ سُفْيَانُ وَالشَّيْطَانُ لاَ يُسْلِمُ . وَ " لاَ تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ " وَالْمُغِيبَةُ الْمَرْأَةُ الَّتِي يَكُونُ زَوْجُهَا غَائِبًا وَالْمُغِيبَاتُ جَمَاعَةُ الْمُغِيبَةِ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الطرف الأول يشهد له ما قبله
وسائره في الصحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (3119) وللحدیث شواھد
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُهُمْ فِي مُجَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ . وَسَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ خَشْرَمٍ يَقُولُ قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ فِي تَفْسِيرِ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " وَلَكِنَّ اللَّهَ أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمُ " . يَعْنِي أَسْلَمُ أَنَا مِنْهُ . قَالَ سُفْيَانُ وَالشَّيْطَانُ لاَ يُسْلِمُ . وَ " لاَ تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ " وَالْمُغِيبَةُ الْمَرْأَةُ الَّتِي يَكُونُ زَوْجُهَا غَائِبًا وَالْمُغِيبَاتُ جَمَاعَةُ الْمُغِيبَةِ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الطرف الأول يشهد له ما قبله
وسائره في الصحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (3119) وللحدیث شواھد
জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ওয়াসায়াম বলেছেনঃ যাদের স্বামী উপস্থিত নেই, সে সকল মহিলাদের নিকট তোমরা যেও না। কেননা, তোমাদের সকলের মাঝেই শাইতান (প্রবাহিত) রক্তের ন্যায় বিচরণ করে। আমরা বললাম, আপনার মধ্যেও কি। তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, আমার মধ্যেও। কিন্তু আমাকে আল্লাহ তা'আলা সাহায্য করেছেন, তাই আমি নিরাপদ।
সহীহ্, এই হাদীসের প্রথম অংশকে পূর্বের হাদীস সমর্থন করে। পূর্ণ হাদীসটি সহীহতে আছে। সহীহ্, আবূ দাউদ (১১৩৩-২১৩৪), তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ (৬৫)।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদসূত্রে গারীব বলেছেন। মুজালিদ ইবনু সাঈদের স্মরণশক্তি সম্পর্কে একদল মুহাদ্দিস সমালোচনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী “কিছু আল্লাহ তা'আলা আমাকে সাহায্য করেছেন, তাই আমি নিরাপদ"-এর ব্যাখ্যায় সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন, তার নিকট হতে আমি নিরাপদে থাকি বা আত্মরক্ষা করতে পারি। কারণ, আল্লাহ তা'আলা আমাকে সাহায্য করেন। সুফিয়ান আরো বলেন, কেননা, শাইতান কখনও অনুগত হয় না বা ইসলাম গ্রহণ করে না। যে সকল মহিলাদের স্বামী তাদের নিকট উপস্থিত নেই এমন স্ত্রীলোকদেরকেই ‘মুগীবাত’ বলে। ‘মুগীবাহ’ শব্দের বহুবচন ‘মুগীবাত’।
সহীহ্, এই হাদীসের প্রথম অংশকে পূর্বের হাদীস সমর্থন করে। পূর্ণ হাদীসটি সহীহতে আছে। সহীহ্, আবূ দাউদ (১১৩৩-২১৩৪), তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ (৬৫)।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদসূত্রে গারীব বলেছেন। মুজালিদ ইবনু সাঈদের স্মরণশক্তি সম্পর্কে একদল মুহাদ্দিস সমালোচনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী “কিছু আল্লাহ তা'আলা আমাকে সাহায্য করেছেন, তাই আমি নিরাপদ"-এর ব্যাখ্যায় সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন, তার নিকট হতে আমি নিরাপদে থাকি বা আত্মরক্ষা করতে পারি। কারণ, আল্লাহ তা'আলা আমাকে সাহায্য করেন। সুফিয়ান আরো বলেন, কেননা, শাইতান কখনও অনুগত হয় না বা ইসলাম গ্রহণ করে না। যে সকল মহিলাদের স্বামী তাদের নিকট উপস্থিত নেই এমন স্ত্রীলোকদেরকেই ‘মুগীবাত’ বলে। ‘মুগীবাহ’ শব্দের বহুবচন ‘মুগীবাত’।
সুনান আত-তিরমিযী (1172)