حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ، تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا حَتَّى مَاتَ . فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لَهَا مِثْلُ صَدَاقِ نِسَائِهَا لاَ وَكْسَ وَلاَ شَطَطَ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ وَلَهَا الْمِيرَاثُ . فَقَامَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الأَشْجَعِيُّ فَقَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ امْرَأَةٍ مِنَّا مِثْلَ الَّذِي قَضَيْتَ . فَفَرِحَ بِهَا ابْنُ مَسْعُودٍ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ الْجَرَّاحِ .
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، كِلاَهُمَا عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، نَحْوَهُ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ مَسْعُودٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ، مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَبِهِ يَقُولُ الثَّوْرِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَابْنُ عُمَرَ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ قَالُوا لَهَا الْمِيرَاثُ وَلاَ صَدَاقَ لَهَا وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ . وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ قَالَ لَوْ ثَبَتَ حَدِيثُ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ لَكَانَتِ الْحُجَّةُ فِيمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرُوِيَ عَنِ الشَّافِعِيِّ أَنَّهُ رَجَعَ بِمِصْرَ بَعْدُ عَنْ هَذَا الْقَوْلِ وَقَالَ بِحَدِيثِ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (3207)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، كِلاَهُمَا عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، نَحْوَهُ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ مَسْعُودٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ، مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَبِهِ يَقُولُ الثَّوْرِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَابْنُ عُمَرَ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ قَالُوا لَهَا الْمِيرَاثُ وَلاَ صَدَاقَ لَهَا وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ . وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ قَالَ لَوْ ثَبَتَ حَدِيثُ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ لَكَانَتِ الْحُجَّةُ فِيمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرُوِيَ عَنِ الشَّافِعِيِّ أَنَّهُ رَجَعَ بِمِصْرَ بَعْدُ عَنْ هَذَا الْقَوْلِ وَقَالَ بِحَدِيثِ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ .تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيحتحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (3207)
ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তাকে প্রশ্ন করা হলঃ এক লোক এক মহিলাকে বিয়ের পর তার মোহর না ঠিক করে এবং তার সাথে সহবাস না করেই মৃত্যুবরণ করল, তার জন্য কি হুকুম আছে? ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, মহিলাটি তার পরিবারের অন্যান্য মেয়েদের সম-পরিমাণ মোহর পাবে, তার কমও পাবে না বেশিও পাবে না। তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য সে মহিলাটি ইদ্দাত পালন করবে এবং সে (তার) ওয়ারিসের অধিকারীও হবে। তখন মাকিল ইবনু সিনান আল-আশজাঈ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি যে ধরণের ফায়সালা করেছেন, আমাদের বংশের মেয়ে ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও একই ফায়সালা করেছেন। ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটা শুনে খুবই আনন্দিত হন।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৮৯১)
আল-জাররাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উপরোক্ত হাদীসের মত ইয়াযীদ ইবনু হারূন ও আবদুর রাযযাক-সুফিয়ান হতে, তিনি মানসূর হতে এর সূত্রেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীসটি তার নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিম আমল করেছেন। এই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, আহমাদ ও ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)-ও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্য একদল সাহাবী, যেমন আলী ইবনু আবূ তালিব, যাইদ ইবনু সাবিত, ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, কোন স্ত্রীলোককে কোন লোক বিয়ে করে মোহর নির্ধারণ ও সহবাসের আগে মৃত্যুবরণ করলে সে মীরাস পাবে কিন্তু মোহর পাবে না এবং সেই মহিলাকে ইদ্দাত পালন করতে হবে। একথাটি ইমাম শাফিঈও ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআর হাদীস (সহীহ্) হিসেবে প্রমাণিত হলে তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসায়াম হতে প্রাপ্ত সর্বশেষ ফায়সালা হবে এটাই। মিসর গিয়ে শাফিঙ্গ (রাহিমাহুল্লাহ) নিজের প্রথম অভিমতটি বাতিল করেন এবং এ হাদীস অনুযায়ী মত গ্রহণ করেন।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৮৯১)
আল-জাররাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উপরোক্ত হাদীসের মত ইয়াযীদ ইবনু হারূন ও আবদুর রাযযাক-সুফিয়ান হতে, তিনি মানসূর হতে এর সূত্রেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীসটি তার নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিম আমল করেছেন। এই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, আহমাদ ও ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)-ও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্য একদল সাহাবী, যেমন আলী ইবনু আবূ তালিব, যাইদ ইবনু সাবিত, ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, কোন স্ত্রীলোককে কোন লোক বিয়ে করে মোহর নির্ধারণ ও সহবাসের আগে মৃত্যুবরণ করলে সে মীরাস পাবে কিন্তু মোহর পাবে না এবং সেই মহিলাকে ইদ্দাত পালন করতে হবে। একথাটি ইমাম শাফিঈও ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআর হাদীস (সহীহ্) হিসেবে প্রমাণিত হলে তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসায়াম হতে প্রাপ্ত সর্বশেষ ফায়সালা হবে এটাই। মিসর গিয়ে শাফিঙ্গ (রাহিমাহুল্লাহ) নিজের প্রথম অভিমতটি বাতিল করেন এবং এ হাদীস অনুযায়ী মত গ্রহণ করেন।
সুনান আত-তিরমিযী (1145)