حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَإِنَّمَا كَانَ الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ فِي أَوَّلِ الإِسْلاَمِ ثُمَّ نُسِخَ بَعْدَ ذَلِكَ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ وَرَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ عَلَى أَنَّهُ إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ فِي الْفَرْجِ وَجَبَ عَلَيْهِمَا الْغُسْلُ وَإِنْ لَمْ يُنْزِلاَ ‏.‏تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیحتحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح كسابقه ، وانظر تخريجه فيه .
ইমাম যুহ্‌রী (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ইমাম যুহ্‌রী (রাহিমাহুল্লাহ) হতে এই সূত্রে উপরের হাদীসের মত হাদীস বর্ণনা হয়েছে।



আবূ ‘ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। ‘বীর্যপাত হলেই শুধু গোসল ফরয হয়’ এ সুযোগে ইসলামের প্রথম দিকে ছিল, অতঃপর তা রহিত করা হয়। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবী হতে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন উবাই ইবনু কা’ব ও রাফি ইবনু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের এটাই অভিমত যে, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হলেই উভয়ের উপর গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়, যদিও বীর্যপাত না হয়।

সুনান আত-তিরমিযী (111)