حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ فِي بَرِيرَةَ ثَلاَثُ قَضِيَّاتٍ أَرَادَ أَهْلُهَا أَنْ يَبِيعُوهَا وَيَشْتَرِطُوا وَلاَءَهَا فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا فَإِنَّ الْوَلاَءَ لِمَنْ أَعْتَقَ " . قَالَتْ وَعَتَقَتْ فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا . قَالَتْ وَكَانَ النَّاسُ يَتَصَدَّقُونَ عَلَيْهَا وَتُهْدِي لَنَا . فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " هُوَ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ وَهُوَ لَكُمْ هَدِيَّةٌ فَكُلُوهُ " .
৩৬৭৩-(১০/...) যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল 'আলা (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরার কল্যাণে তিনটি শরীআতী বিধান পাওয়া গিয়েছিল
১. তার মুনিবেরা তাকে বিক্রি করতে চেয়েছিল এবং তার 'ওয়ালা'র উপর তাদের অধিকার লাভের শর্তারোপ করেছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষয়টি উঠালাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা "ওয়ালা" সেই পাবে যে আযাদ করে।
২. যখন তাকে (বারীরাকে) মুক্ত করে দেয়া হল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (তার ক্রীতদাস স্বামীকে রাখা, না রাখার) ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। এরপর সে নিজের স্বার্থটাকেই সমর্থন করল। (তার ক্রীতদাস স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করল।)
৩. তিনি [আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেন, লোকেরা বারীরাকে সদাকাহ্ খয়রাত করত এবং সে তা (সদাকাহকৃত জিনিস) থেকে আমাদেরকে কিছু হাদিয়া হিসেবে দিত। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিযয়টি পেশ করলাম। তিনি বললেন, "তা তার জন্য সদাকাহ্ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়া। সুতরাং তোমরা তা খাও।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৯, ইসলামিক সেন্টার ৩৬৩৯)
১. তার মুনিবেরা তাকে বিক্রি করতে চেয়েছিল এবং তার 'ওয়ালা'র উপর তাদের অধিকার লাভের শর্তারোপ করেছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিষয়টি উঠালাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা "ওয়ালা" সেই পাবে যে আযাদ করে।
২. যখন তাকে (বারীরাকে) মুক্ত করে দেয়া হল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (তার ক্রীতদাস স্বামীকে রাখা, না রাখার) ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। এরপর সে নিজের স্বার্থটাকেই সমর্থন করল। (তার ক্রীতদাস স্বামীকে প্রত্যাখ্যান করল।)
৩. তিনি [আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেন, লোকেরা বারীরাকে সদাকাহ্ খয়রাত করত এবং সে তা (সদাকাহকৃত জিনিস) থেকে আমাদেরকে কিছু হাদিয়া হিসেবে দিত। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বিযয়টি পেশ করলাম। তিনি বললেন, "তা তার জন্য সদাকাহ্ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়া। সুতরাং তোমরা তা খাও।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৩৯, ইসলামিক সেন্টার ৩৬৩৯)
Zuhayr ibn Harb and Muhammad ibn al-‘Ala’ narrated to us — and the wording is that of Zuhayr — they said: Abu Mu‘awiyah narrated to us, Hisham ibn ‘Urwah narrated to us, from ‘Abd al-Rahman ibn al-Qasim, from his father, from ‘A’ishah, who said: There were three rulings concerning Barirah. Her family wanted to sell her and stipulate that her wala’ (clientage) would belong to them. I mentioned that to the Prophet, peace and blessings be upon him, and he said: “Buy her and free her, for the wala’ belongs to the one who frees.” She said: And she was freed, then the Messenger of Allah, peace and blessings be upon him, gave her the choice, and she chose herself. She said: And the people used to give charity to her, and she would give gifts to us. I mentioned that to the Prophet, peace and blessings be upon him, and he said: “It is charity for her and a gift for you, so eat it.”
Sign in to report a translation.
সহীহ মুসলিম (3673)