حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْمَجِيدِ الثَّقَفِيَّ - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزَاةٍ فَأَبْطَأَ بِي جَمَلِي فَأَتَى عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي " يَا جَابِرُ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " مَا شَأْنُكَ " . قُلْتُ أَبْطَأَ بِي جَمَلِي وَأَعْيَا فَتَخَلَّفْتُ . فَنَزَلَ فَحَجَنَهُ بِمِحْجَنِهِ ثُمَّ قَالَ " ارْكَبْ " . فَرَكِبْتُ فَلَقَدْ رَأَيْتُنِي أَكُفُّهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " أَتَزَوَّجْتَ " . فَقُلْتُ نَعَمْ . فَقَالَ " أَبِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا " . فَقُلْتُ بَلْ ثَيِّبٌ . قَالَ " فَهَلاَّ جَارِيَةً تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ " . قُلْتُ إِنَّ لِي أَخَوَاتٍ فَأَحْبَبْتُ أَنْ أَتَزَوَّجَ امْرَأَةً تَجْمَعُهُنَّ وَتَمْشُطُهُنَّ وَتَقُومُ عَلَيْهِنَّ . قَالَ " أَمَا إِنَّكَ قَادِمٌ فَإِذَا قَدِمْتَ فَالْكَيْسَ الْكَيْسَ " . ثُمَّ قَالَ " أَتَبِيعُ جَمَلَكَ " . قُلْتُ نَعَمْ . فَاشْتَرَاهُ مِنِّي بِأُوقِيَّةٍ ثُمَّ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدِمْتُ بِالْغَدَاةِ فَجِئْتُ الْمَسْجِدَ فَوَجَدْتُهُ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ فَقَالَ " الآنَ حِينَ قَدِمْتَ " . قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ " فَدَعْ جَمَلَكَ وَادْخُلْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ " . قَالَ فَدَخَلْتُ فَصَلَّيْتُ ثُمَّ رَجَعْتُ فَأَمَرَ بِلاَلاً أَنْ يَزِنَ لِي أُوقِيَّةً فَوَزَنَ لِي بِلاَلٌ فَأَرْجَحَ فِي الْمِيزَانِ - قَالَ - فَانْطَلَقْتُ فَلَمَّا وَلَّيْتُ قَالَ " ادْعُ لِي جَابِرًا " . فَدُعِيتُ فَقُلْتُ الآنَ يَرُدُّ عَلَىَّ الْجَمَلَ . وَلَمْ يَكُنْ شَىْءٌ أَبْغَضَ إِلَىَّ مِنْهُ فَقَالَ " خُذْ جَمَلَكَ وَلَكَ ثَمَنُهُ " .
৩৫৩৩-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একটি যুদ্ধের উদ্দেশে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে ধীরগামিতার শিকার বানাল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির! আমি বললাম, জী। তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কী? আমি বললাম, আমার উট আমাকে ধীরগামিতায় ফেলে দিয়েছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে পড়ে তার (বাকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন। এরপর বললেন, আরোহণ কর, আমি তখন আরোহণ করলাম।
আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফুর্তি করত? আমি বললাম, আমার বেশ কটি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ, তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নবাবীতে) পৌছলাম এবং তাকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু'রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এক উকিয়াহ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে হুকুম করলেন।
বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, "তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫০৫)
আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফুর্তি করত? আমি বললাম, আমার বেশ কটি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ, তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নবাবীতে) পৌছলাম এবং তাকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু'রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এক উকিয়াহ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে হুকুম করলেন।
বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, "তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫০৫)
সহীহ মুসলিম (3533)