حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا وَاصِلٌ الأَحْدَبُ، عَنْ أَبِي، وَائِلٍ قَالَ غَدَوْنَا عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ يَوْمًا بَعْدَ مَا صَلَّيْنَا الْغَدَاةَ فَسَلَّمْنَا بِالْبَابِ فَأَذِنَ لَنَا - قَالَ - فَمَكَثْنَا بِالْبَابِ هُنَيَّةً - قَالَ - فَخَرَجَتِ الْجَارِيَةُ فَقَالَتْ أَلاَ تَدْخُلُونَ فَدَخَلْنَا فَإِذَا هُوَ جَالِسٌ يُسَبِّحُ فَقَالَ مَا مَنَعَكُمْ أَنْ تَدْخُلُوا وَقَدْ أُذِنَ لَكُمْ فَقُلْنَا لاَ إِلاَّ أَنَّا ظَنَنَّا أَنَّ بَعْضَ أَهْلِ الْبَيْتِ نَائِمٌ . قَالَ ظَنَنْتُمْ بِآلِ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ غَفْلَةً قَالَ ثُمَّ أَقْبَلَ يُسَبِّحُ حَتَّى ظَنَّ أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ طَلَعَتْ فَقَالَ يَا جَارِيَةُ انْظُرِي هَلْ طَلَعَتْ قَالَ فَنَظَرَتْ فَإِذَا هِيَ لَمْ تَطْلُعْ فَأَقْبَلَ يُسَبِّحُ حَتَّى إِذَا ظَنَّ أَنَّ الشَّمْسَ قَدْ طَلَعَتْ قَالَ يَا جَارِيَةُ انْظُرِي هَلْ طَلَعَتْ فَنَظَرَتْ فَإِذَا هِيَ قَدْ طَلَعَتْ . فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَقَالَنَا يَوْمَنَا هَذَا - فَقَالَ مَهْدِيٌّ وَأَحْسِبُهُ قَالَ - وَلَمْ يُهْلِكْنَا بِذُنُوبِنَا - قَالَ - فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ قَرَأْتُ الْمُفَصَّلَ الْبَارِحَةَ كُلَّهُ - قَالَ - فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّا لَقَدْ سَمِعْنَا الْقَرَائِنَ وَإِنِّي لأَحْفَظُ الْقَرَائِنَ الَّتِي كَانَ يَقْرَؤُهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَمَانِيَةَ عَشَرَ مِنَ الْمُفَصَّلِ وَسُورَتَيْنِ مِنْ آلِ حم.
১৭৯৬-(২৭৮/...) শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা ফজরের সালাত আদায় করার পর আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট গেলাম। আমরা দরজার নিকট এসে সালাম করলে তিনি আমাদেরকে (ভিতরে প্রবেশের) অনুমতি দিলেন। আমরা কিছুক্ষণ দরজায় থেমে থাকলাম। তখন বাদী বের হয়ে এসে বলল, আপনারা প্রবেশ করছেন না কেন? আমরা ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম তিনি তাসবীহ পড়ছেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, অনুমতি দেয়ার পরও তোমাদের প্রবেশে কী বাঁধা ছিল? আমরা বললাম না, তেমন কোন বাঁধা ছিল না, তবে আমরা ভাবলাম, হয়ত ঘরের মধ্যে কে ঘুমিয়ে আছে। তিনি বললেন, তুমি উম্মু 'আবদের পুত্রের পরিবার সম্পর্কে অলসতার ধারণা করলে।
বর্ণনাকারী বললেন, অতঃপর তিনি তাসবীহ পাঠে রত হলেন, শেষে যখন ভাবলেন যে, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী দেখ, সূর্য উদিত হ'ল কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখ তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখো তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? সে তাকিয়ে দেখল যে, সূর্য উদিত হয়েছে।
আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি এ দিনটি আমাদের ফেরত দিয়েছেন। অধস্তন বর্ণনাকারী মাহদী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এও বলেছেনঃ "এবং আমাদের অপরাধের কারণে আমাদের ধ্বংস করেননি।" বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকদের একজন বলল, গত রাতে আমি (সালাতে) মুফাসসাল সূরাহ সম্পূর্ণটা পড়েছি। আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কবিতা পাঠের মতো দ্রুত আমরা অবশ্যই কুরআনের সূরাহসমূহের পাঠ শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব সূরাহ্ (সালাতে) পড়তেন আমি সেসব সূরাহ মুখস্থ করে রেখেছিঃ মুফাসসাল সূরাহসমূহ থেকে আঠারো সূরাহ এবং হা-মীম গ্রুপের দুটি সূরাহ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮১, ইসলামীক সেন্টার ১৭৮৮)
বর্ণনাকারী বললেন, অতঃপর তিনি তাসবীহ পাঠে রত হলেন, শেষে যখন ভাবলেন যে, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী দেখ, সূর্য উদিত হ'ল কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখ তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখো তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? সে তাকিয়ে দেখল যে, সূর্য উদিত হয়েছে।
আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি এ দিনটি আমাদের ফেরত দিয়েছেন। অধস্তন বর্ণনাকারী মাহদী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এও বলেছেনঃ "এবং আমাদের অপরাধের কারণে আমাদের ধ্বংস করেননি।" বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকদের একজন বলল, গত রাতে আমি (সালাতে) মুফাসসাল সূরাহ সম্পূর্ণটা পড়েছি। আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কবিতা পাঠের মতো দ্রুত আমরা অবশ্যই কুরআনের সূরাহসমূহের পাঠ শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব সূরাহ্ (সালাতে) পড়তেন আমি সেসব সূরাহ মুখস্থ করে রেখেছিঃ মুফাসসাল সূরাহসমূহ থেকে আঠারো সূরাহ এবং হা-মীম গ্রুপের দুটি সূরাহ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮১, ইসলামীক সেন্টার ১৭৮৮)
Shayban ibn Farrukh narrated to us, Mahdi ibn Maymun narrated to us, from Wasil al-Ahdab, from Abu Wa'il, who said: We set out early one morning to visit 'Abdullah ibn Mas'ud after we had prayed the dawn prayer, and we greeted at the door, and he gave us permission. He said: We waited at the door for a while. He said: Then a slave girl came out and said, "Will you not come in?" So we entered, and there he was sitting, engaged in glorifying God. He said: What prevented you from entering when permission had been given to you? We said: Nothing, except that we thought some member of the household was asleep. He said: You thought the family of Ibn Umm 'Abd were heedless? He said: Then he resumed glorifying God until he thought the sun had risen. He said: O slave girl, look—has it risen? He said: So she looked, and it had not risen. Then he resumed glorifying God until, when he thought the sun had risen, he said: O slave girl, look—has it risen? She looked, and it had risen. Then he said: Praise be to God who spared us this day of ours—Mahdi said: And I think he said—and did not destroy us for our sins. He said: Then a man among the people said: I recited the entire Mufassal last night. He said: 'Abdullah said: Quickly, like the recitation of poetry? Indeed, we have heard the paired surahs, and I know the paired surahs that the Messenger of God, peace and blessings be upon him, used to recite—eighteen from the Mufassal and two surahs from the family of Ha Mim.
Sign in to report a translation.
সহীহ মুসলিম (1796)