أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي النُّفَسَاءِ تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا فَإِنْ رَأَتْ الطُّهْرَ فَذَاكَ وَإِنْ لَمْ تَرَ الطُّهْرَ أَمْسَكَتْ عَنْ الصَّلَاةِ أَيَّامًا خَمْسًا سِتًّا فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا أَمْسَكَتْ عَنْ الصَّلَاةِ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْخَمْسِينَ فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
৯৮৩. ইউনুস থেকে বর্ণিত, হাসান রাহি. প্রসূতি (নিফাসগ্রস্ত) মহিলা সম্পর্কে বলেন, সে সালাত আদায় করা হতে চল্লিশ দিন বিরত থাকবে। তারপর যদি সে পবিত্রাবস্থা লক্ষ্য করে তো তা (ভালোই)। আর যদি সে পবিত্রাবস্থা দেখতে না পায়, তবে এরপর সে পাঁচ-ছয়দিন যাবত সালাত হতে বিরত থাকবে। যদি সে পবিত্রতা লক্ষ্য করে তো ভালোই। তা না হলে সে এরপর থেকে পঞ্চাশ দিন হওয়া পর্যন্ত যে কয়দিন অবশিষ্ট থাকবে, সে কয়দিনও সে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। এরপর যদি সে পবিত্র হয়ে যায় তো ভালো, তা না হলে সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা বলে গণ্য হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: এটি ৮৫৯ (অনুবাদে ৮৫৫) নং এ গত হয়েছে। আরও দেখুন পরবর্তী টীকাটি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: এটি ৮৫৯ (অনুবাদে ৮৫৫) নং এ গত হয়েছে। আরও দেখুন পরবর্তী টীকাটি।
সুনান আদ-দারিমী (983)