أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ قَتَادَةَ وَقَيْسِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَطَاءٍ أَنَّهُمَا قَالَا فِي الْبِكْرِ إِذَا نَفِسَتْ فَاسْتُحِيضَتْ قَالَا تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ مِثْلَ مَا تُمْسِكُ الْمَرْأَةُ مِنْ نِسَائِهَا

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :الأثران إسنادهما صحيح
৮৭১. কাতাদা ও কাইস ইবনু সা’দ উভয়ে আতা’ রাহি. হতে কুমারী মেয়ের সম্পর্কে বর্ণনা করেন: যখন তার নিফাস[1] (সন্তান জন্মদানের পরের রক্তস্রাব) শুরু হবে, অতঃপর (নির্ধারিত সময় পরেও) রক্তস্রাব চলতে থাকবে’, তারা বলেন, ‘মেয়েটি সেই কয়দিন সালাত হতে বিরত থাকবে, যে কয়দিন তার পরিবারের অপর কোনো মেয়ে সালাত থেকে বিরত থাকে।[2]

[1] (ফাতহুল মান্নান, শরহে দারেমী-তে একে নারীর প্রথম হায়েয বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু মুহাক্কিক্ব তাখরীজে আব্দুর রাযযাকের আল মুসান্নাফের যে হাদীস নিয়ে এসেছেন, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি নিফাস, যখন সে সন্তান প্রসব করে।’ যদিও দারেমীর বাবের শিরোনাম দেখে ফাতহুল মান্নানের বক্তব্যই সঠিক মনে হয়, তবু আমরা তাখরীজের সূত্র ধরে একে নিফাস’ বলেই অনুবাদ করেছি-অনুবাদক।)

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : আছার (হাদীস) দু’টির সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আতার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ যঈফ সনদে।

বাইহাকী ১/৩৪০ এ বলেন: ইমাম শাফিঈ রাহি. আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে ‘কুমারী মেয়ে’ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যার রক্তস্রাব অব্যাহতভাবে চলতে থাকে,’: তার পরিবারের নারীরা যেভাবে (সালাত পরিত্যাগ করে) বসে থাকে, সেও সেভাবে বসে থাকবে।’

আর কাতাদা’র হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ এ সহীহ সনদে।

সুনান আদ-দারিমী (871)