أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ سَأَلْتُهَا عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَتْ تَنْتَظِرُ أَقْرَاءَهَا الَّتِي كَانَتْ تَتْرُكُ فِيهَا الصَّلَاةَ قَبْلَ ذَلِكَ فَإِذَا كَانَ يَوْمُ طُهْرِهَا الَّذِي كَانَتْ تَطْهُرُ فِيهِ اغْتَسَلَتْ ثُمَّ تَوَضَّأَتْ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَصَلَّتْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد
৮১৩. (মাসরুকের স্ত্রী) ক্বমীর বিনতে ’ইমরান হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রা: থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (কমীর) বলেন, আমি তাকে (আয়িশা রা: কে) ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি (আয়িশা রা:) বলেন: ‘এর পূর্বে (হায়েযের সময়) যে কয়দিন সে সালাত পরিত্যাগ করতো, সেই কয়দিন সময় সে অপেক্ষা করবে। অতঃপর বিগত দিনে হায়েয অতিক্রান্ত হয়ে যখন পবিত্র হতো, সেই দিনে সে পবিত্র হবে, গোসল করবে তারপর প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে ও সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কেননা, মুজালিদ ইবনু সাঈদ যঈফ। কিন্তু তিনি এটি একা বর্ণনা করেননি। বরং তাকে অনুসরণ করে (মুতাবিয়াত) বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনু মায়সারা এবং বায়ান।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০৫ এটি আয়িশা রা: থেকে মাওকুফ হিসেবে সহীহ; ইবনু আবী শাইবা ১/১২৬; আব্দুর রাযযাক নং ১১৭০; বাইহাকী ১/৩৪৬; দেখুন সুনান আবু দাউদ ১/২১০-২১১ ৩০০ নং হাদীসের পববর্তী আলোচনা এবং সুনানে বাইহাকী ১/৩৪৬, ৩৪৭; এবং পরবর্তী হাদীসটি দুটিও দেখুন।

সুনান আদ-দারিমী (813)