أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِنَّمَا جَاءَ اخْتِلَافُهُمْ أَنَّهُنَّ ثَلَاثَتَهُنَّ كُنَّ عِنْدَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ أُمُّ حَبِيبَةَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ بَادِيَةُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৮০৯. সা’দ ইবনু ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (সেই ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার নাম সম্পর্কে) লোকদের মধ্যকার মতভেদ যে, তারা ছিল তিন মহিলা- এ সংক্রান্ত বিষয়টি আব্দুর রহমান ইবনু আউফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট পৌঁছেছিলো। তাদের কেউ বললো: ‘তিনি ছিলেন উম্মু হাবীবাহ।’ আবার কেউ বললো: ‘তিনি ছিলেন বাদিয়্যাহ।’ আবার কেউ বললেন: ‘তিনি ছিলেন সাহলাহ বিনতে সুহাইল।’[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকা দু’টি। এছাড়া উসদুল গাবাহ ৭/৩৪, ১৫৪-১৫৫, ২১৪; এবং হাদীস নং ৮০৩ (অনুবাদের ক্রমিক নং ৭৯৯) এর টীকাটি দেখুন। আরও দেখুন, আল ইসাবাহ ১১২, ১৫১-১৫২, ৩১৯-৩২০, ১৩/১৯২।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকা দু’টি। এছাড়া উসদুল গাবাহ ৭/৩৪, ১৫৪-১৫৫, ২১৪; এবং হাদীস নং ৮০৩ (অনুবাদের ক্রমিক নং ৭৯৯) এর টীকাটি দেখুন। আরও দেখুন, আল ইসাবাহ ১১২, ১৫১-১৫২, ৩১৯-৩২০, ১৩/১৯২।
সুনান আদ-দারিমী (809)