أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ الْأَسْوَدُ قَالَ قَالَ ابْنُ مُنَبِّهٍ كَانَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِيمَا مَضَى يَضَنُّونَ بِعِلْمِهِمْ عَنْ أَهْلِ الدُّنْيَا فَيَرْغَبُ أَهْلُ الدُّنْيَا فِي عِلْمِهِمْ فَيَبْذُلُونَ لَهُمْ دُنْيَاهُمْ وَإِنَّ أَهْلَ الْعِلْمِ الْيَوْمَ بَذَلُوا عِلْمَهُمْ لِأَهْلِ الدُّنْيَا فَزَهِدَ أَهْلُ الدُّنْيَا فِي عِلْمِهِمْ فَضَنُّوا عَلَيْهِمْ بِدُنْيَاهُمْ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لانقطاعه: حجاج الأسود لم يدرك وهبا فيما نعلم والله أعلم
৬৬৯. হাজ্জাজ আল আসওয়াদ বলেন, ইবনু মুনাব্বিহ বলেছেন: ইতিপূর্বে ইলমের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ দুনিয়াদার লোকদেরকে তাদের ইলম প্রদান করতে কার্পণ্য করতেন। ফলে দুনিয়াদার লোকেরা তাদের (আহলে ইলমদের) ইলমের প্রতি আগ্রহী হতো। ফলে তারা তাদের দুনিয়া (এর মাল-সম্পদ) তাদের (আহলে ইলমদের) জন্য নিয়োজিত বা ব্যয় করতো। কিন্তু আজকের আহলে ইলম (ইলমের অধিকারীগণ) তাদের ইলমকে zwj;দুনিয়াদারদের জন্যই নিয়োজিত করেছেন। এতে দুনিয়াদাররা তাদের (ইলমের অধিকারীগণ) ইলমের ব্যাপারে অনাগ্রহী হয়েছে। ফলে তারা তাদের দুনিয়া (এর ধন-সম্পদ) এদের (আহলে ইলমদের)কে প্রদান করতে কার্পণ্য করে।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ বিচ্ছিন্নতার কারণে। হাজ্জাজ আল আসওয়াদ, আমাদের জানামতে, ওয়াহাবের সাক্ষাত পাননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেননি- অনুবাদক।

সুনান আদ-দারিমী (669)