حَدَّثَنَا أَبُو زَيْدٍ سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ مُهَاجِرٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ زَمَنَ زِيَادٍ إِلَى الْكُوفَةِ فَسَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَسِيرٍ لَهُ قَالَ وَرُكْبَتِي تُصِيبُ أَوْ تَمَسُّ رُكْبَتَهُ فَسَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ قَالَ بَرِئَ مِنْ الشِّرْكِ وَسَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ قَالَ غُفِرَ لَهُ
৩৪৬৫. আবুল হাসান মুহাজির হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যিয়াদের শাসনামলে এক ব্যক্তি কুফায় এলো। এরপর আমি তাকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনলাম। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কোনো এক সফরে ছিলেন। তিনি বলেন, আমার হাঁটু তাঁর হাঁটুর সঙ্গে লাগানো ছিল, এমতাবস্থায় তিনি এক ব্যক্তিকে “ক্বুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন“ (সুরা কাফিরুন) পাঠ করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেন, “সে শিরক হতে মুক্তি পেল।“ আবার তিনি অপর এক ব্যক্তিকে “ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ“ (সুরা ইখলাস) পাঠ করতে শুনলেন, তখন তিনি বললেন, “তাকে ক্ষমা করা হয়েছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। সাহাবী’র নাম উল্লেখ না থাকা হাদীসকে সমালোচিত করে না।
তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ৩০৫ সনদ সহীহ; নাসাঈ, কুবরা নং ১০৫৪০; আহমাদ ৪/৬৩, ৬৪, ৬৫ হাসান সনদে; সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৬/৪০৫ তে আহমদা, ইবনু যরীস, বাগাবীর প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। সাহাবী’র নাম উল্লেখ না থাকা হাদীসকে সমালোচিত করে না।
তাখরীজ: ইবনু যরীস, ফাযাইলুল কুরআন নং ৩০৫ সনদ সহীহ; নাসাঈ, কুবরা নং ১০৫৪০; আহমাদ ৪/৬৩, ৬৪, ৬৫ হাসান সনদে; সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৬/৪০৫ তে আহমদা, ইবনু যরীস, বাগাবীর প্রতি এটি সম্বোন্ধিত করেছেন।
সুনান আদ-দারিমী (3465)