حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ أَبِي سِنَانٍ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ سُبَيْعٍ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ عَشْرَ آيَاتٍ مِنْ الْبَقَرَةِ عِنْدَ مَنَامِهِ لَمْ يَنْسَ الْقُرْآنَ أَرْبَعُ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِهَا وَآيَةُ الْكُرْسِيِّ وَآيَتَانِ بَعْدَهَا وَثَلَاثٌ مِنْ آخِرِهَا قَالَ إِسْحَقُ لَمْ يَنْسَ مَا قَدْ حَفِظَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد مِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ الْمُغِيرَةُ بْنُ سُمَيْعٍ
৩৪২৪. মুগীরা ইবনু সুবাঈ’ হতে বর্ণিত, যিনি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাথীদের একজন ছিলেন[1]- তিনি বলেন, যে ব্যক্তি (রাতে) ঘুমানোর সময় সূরাহ বাক্বারার দশটি আয়াত পাঠ করবে, তবে সেই ব্যক্তি কুরআন ভুলে যাবে না (আয়াত দশটি হলো): এর প্রথম চারটি আয়াত, আয়াতুল কুরসী ও এর পরবর্তী দু’টি আয়াত এবং শেষের তিনটি আয়াত।[2]
ইসহাক বলেন, ‘যা সে হিফজ’ (মুখস্ত) করেছে, তা ভূলে যাবে না।
আবূ মুহাম্মদ বলেন, তাদের কেউ কেউ বলেন, মুগীরাহ ইবনু সুমাঈ।
[1] আমরা যতটা জানতে পেরেছি, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাথী ছিলেন না। আল্লাহই ভাল জানেন।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটির সনদ মুগীরাহ পর্যন্ত সহীহ। আর এটি তার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪১৩, ২৪৭৩; সাঈদ ইবনু মানসূর ১৩৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১১৯৮; তিরমিযী, ছাওয়াবুল কুরআন ২৮৮২; আবূ নুয়াইম, যিকরু আখবারুল আসবাহান ১/২৩৩। তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটি গারীব।’ বাইহাকী এটি অপর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যা পুর্বের চেয়েও অধিক দুর্বল।
ইসহাক বলেন, ‘যা সে হিফজ’ (মুখস্ত) করেছে, তা ভূলে যাবে না।
আবূ মুহাম্মদ বলেন, তাদের কেউ কেউ বলেন, মুগীরাহ ইবনু সুমাঈ।
[1] আমরা যতটা জানতে পেরেছি, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাথী ছিলেন না। আল্লাহই ভাল জানেন।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এটির সনদ মুগীরাহ পর্যন্ত সহীহ। আর এটি তার উপর মাওকুফ।
তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ২৪১৩, ২৪৭৩; সাঈদ ইবনু মানসূর ১৩৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১১৯৮; তিরমিযী, ছাওয়াবুল কুরআন ২৮৮২; আবূ নুয়াইম, যিকরু আখবারুল আসবাহান ১/২৩৩। তিরমিযী বলেন, এ হাদীসটি গারীব।’ বাইহাকী এটি অপর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যা পুর্বের চেয়েও অধিক দুর্বল।
সুনান আদ-দারিমী (3424)