حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ ضَمْرَةَ وَرَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ وَغَيْرِهِمَا قَالُوا فِيمَنْ أُعْتِقَ سَائِبَةً إِنَّ وَلَاءَهُ لِمَنْ أَعْتَقَهُ إِنَّمَا سَيَّبَهُ مِنْ الرِّقِّ وَلَمْ يُسَيِّبْهُ مِنْ الْوَلَاءِ
৩১৬১. আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম হতে বর্ণিত, যাকে সায়িবাহ হিসেবে মুক্তি দান করা হয়েছে, এমন মুক্ত দাস সম্পর্কে যামরাহ, রাশিদ ইবনু সা’দ ও অন্যান্যরা বলেন, যে তাকে মুক্ত করেছে, সে-ই তার অভিভাবকত্ব লাভ করবে। সে দাসত্ব হতে তাকে মুক্তি দিয়েছে কিন্তু মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হতে তাকে মুক্তি দেয়নি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আবূ সাঈদ ইবনু আমর বিন বনী উমাইয়া মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়) ও আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম যঈফ।
তাখরীজ : সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৮।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। আবূ সাঈদ ইবনু আমর বিন বনী উমাইয়া মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়) ও আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম যঈফ।
তাখরীজ : সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৮।
সুনান আদ-দারিমী (3161)