أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ قَرَظَةَ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: بَعَثَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، رَهْطًا مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى الْكُوفَةِ، فَبَعَثَنِي مَعَهُمْ، فَجَعَلَ يَمْشِي مَعَنَا حَتَّى أَتَى صِرَارَ - وَصِرَارُ: مَاءٌ فِي طَرِيقِ الْمَدِينَةِ - فَجَعَلَ يَنْفُضُ التُّرَابَ عَنْ رِجْلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: " إِنَّكُمْ تَأْتُونَ الْكُوفَةَ، فَتَأْتُونَ قَوْمًا لَهُمْ أَزِيزٌ بِالْقُرْآنِ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَقُولُونَ: قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَسْأَلُونَكُمْ عَنِ الْحَدِيثِ، فَاعْلَمُوا أَنَّ أَسْبَغَ الْوُضُوءِ ثَلَاثٌ، وَثِنْتَانِ تُجْزِيَانِ ". ثُمَّ قَالَ: " إِنَّكُمْ تَأْتُونَ الْكُوفَةَ فَتَأْتُونَ قَوْمًا لَهُمْ أَزِيزٌ بِالْقُرْآنِ فَيَقُولُونَ: قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَسْأَلُونَكُمْ عَنِ الْحَدِيثِ. فَأَقِلُّوا الرِّوَايَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَا شَرِيكُكُمْ فِيهِ قَالَ قَرَظَةُ: وَإِنْ كُنْتُ لَأَجْلِسُ فِي الْقَوْمِ فَيَذْكُرُونَ الْحَدِيثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وإِنِّي لَمِنْ أَحْفَظِهِمْ لَهُ. فَإِذَا ذَكَرْتُ وَصِيَّةَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَكَتُّ. قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: مَعْنَاهُ عِنْدِي: الْحَدِيثُ عَنْ أَيَّامِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ السُّنَنَ وَالْفَرَائِضَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار
২৮৮. কুরাযাহ ইবনু কা’ব আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কুফায় আনসারদের একটি দলকে পাঠালেন, আমাকেও তাদের সাথে পাঠালেন। আর তিনিও আমাদের সাথে হেঁটে চললেন, এমনকি তিনি ‘সিরার’ পর্যন্ত চলে আসলেন। ‘সিরার’ হলো: মদীনার রাস্তায় অবস্থিত একটি জলাশয়। এরপর তিনি তাঁর দু’পা থেকে মাটি ধুতে লাগলেন এবং তারপর বললেন: ‘তোমরা কুফায় যাচ্ছো। সুতরাং তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছো, যারা (বুলন্দ) আওয়াজে কুরআন পাঠে রত থাকে। তারা তোমাদের নিকট এসে বলবে: মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! তারা তোমাদের নিকট এসে হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। সুতরাং তোমরা জেনে রাখো যে, পরিপূর্ণরুপে উযু করা হল তিনবার করে (অযুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ধোয়া)। আর দু’-দু’বার করে (ধোয়াই) যথেষ্ট (জায়েয)। তারপর বললেন: ‘তোমরা কুফায় যাচ্ছো। সুতরাং তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছো, যারা (বুলন্দ) আওয়াজে কুরআন পাঠে রত থাকে। তারা তোমাদেরকে বলবে: মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! তারা তোমাদের নিকট এসে হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। সুতরাং তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খুব কম সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করবে, আর আমিও তাতে তোমাদের অংশীদার।“[1]
কুরাযাহ বলেন: আমি যেসকল লোকদের মাঝে বসতাম, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতো, যদিও নিশ্চয়ই আমি তাদের চেয়ে তা অধিক হাদীস সংরক্ষণকারী ছিলাম। কিন্তু যখনই আমি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র ওয়াসিয়াত (উপদেশ) স্মরণ করতাম, তখনই আমি চুপ হয়ে যেতাম। আবু মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন: আমার নিকট মনে হয়, ঐ হাদীসগুলো দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুদ্ধবিগ্রহ বিষয়ক হাদীসের কথা বলা হয়েছে। এ দ্বারা সুনান ও ফারায়েয বিষয়ক হাদীস বোঝানো হয়নি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এ সনদে আশ’আস ইবনু সিওয়ার রয়েছে। (তবে হাদীস সহীহ। আগের হাদীসটি ও তাখরীজ দ্রষ্টব্য।-অনুবাদক)
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, মুকদ্দমাহ ২৮, সনদ সহীহ; দেখুন মিসবাহুয যুজাজাহ ১/৫০ এবং পূর্বের হাদীসটি। এছাড়াও দেখুন, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৬৯০।
কুরাযাহ বলেন: আমি যেসকল লোকদের মাঝে বসতাম, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতো, যদিও নিশ্চয়ই আমি তাদের চেয়ে তা অধিক হাদীস সংরক্ষণকারী ছিলাম। কিন্তু যখনই আমি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র ওয়াসিয়াত (উপদেশ) স্মরণ করতাম, তখনই আমি চুপ হয়ে যেতাম। আবু মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন: আমার নিকট মনে হয়, ঐ হাদীসগুলো দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুদ্ধবিগ্রহ বিষয়ক হাদীসের কথা বলা হয়েছে। এ দ্বারা সুনান ও ফারায়েয বিষয়ক হাদীস বোঝানো হয়নি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। এ সনদে আশ’আস ইবনু সিওয়ার রয়েছে। (তবে হাদীস সহীহ। আগের হাদীসটি ও তাখরীজ দ্রষ্টব্য।-অনুবাদক)
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, মুকদ্দমাহ ২৮, সনদ সহীহ; দেখুন মিসবাহুয যুজাজাহ ১/৫০ এবং পূর্বের হাদীসটি। এছাড়াও দেখুন, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৬৯০।
সুনান আদ-দারিমী (288)