أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ نَهْرٌ فِي الْجَنَّةِ حَافَّتَاهُ مِنْ ذَهَبٍ يَجْرِي عَلَى الدُّرِّ وَالْيَاقُوتِ تُرْبَتُهُ أَطْيَبُ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ وَطَعْمُهُ أَحْلَى مِنْ الْعَسَلِ وَمَاؤُهُ أَشَدُّ بَيَاضًا مِنْ الثَّلْجِ
২৮৭৫. আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন “নিশ্চয়ই আমি তোমাকে ‘আল কাওছার’ দান করেছি।“ (সূরা আল কাওছার: ১) এ সূরাটি নাযিল হলো তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তা (কাওছার) হল জান্নাতের একটা নহর। এর দুই তীর হল স্বর্ণের, আর মোতি ও ইয়াকুতের উপর দিয়ে তা প্রবাহিত হয়। এর মাটি মিশকের সুগন্ধি অপেক্ষাও অধিক সুগন্ধময়। এটি খেতে মধু অপেক্ষাও মিষ্টি এবং এর পানি তুষার থেকে শুভ্র।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ ((তবে হাদীসটি সহীহ যেমন তাখরীজে উল্লেখ করা হয়েছে।–অনুবাদক))
তাখরীজ: আহমাদ ২/১১২; হাকিম ৩/৫২৪, তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ, যাহাবী চুপ থেকেছেন; তিরমিযী, তাফসীর ৩৩৫৮; তিনি বলেন, ‘হাদীসটি হাসান সহীহ’ ইবনু মাজাহ, যুহদ ৪৩৩৪ সহীহ সনদে।
এর শাহিদ রয়েছে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, যেটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৭৬, ৩১৮৬, ৩২৯০, ৩৫২৯ তে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ ((তবে হাদীসটি সহীহ যেমন তাখরীজে উল্লেখ করা হয়েছে।–অনুবাদক))
তাখরীজ: আহমাদ ২/১১২; হাকিম ৩/৫২৪, তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ, যাহাবী চুপ থেকেছেন; তিরমিযী, তাফসীর ৩৩৫৮; তিনি বলেন, ‘হাদীসটি হাসান সহীহ’ ইবনু মাজাহ, যুহদ ৪৩৩৪ সহীহ সনদে।
এর শাহিদ রয়েছে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, যেটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৭৬, ৩১৮৬, ৩২৯০, ৩৫২৯ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2875)