أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَوَّلَ زُمْرَةٍ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي عَلَى صُورَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ عَلَى أَحْسَنِ كَوْكَبٍ إِضَاءَةً فِي السَّمَاءِ فَقَامَ عُكَّاشَةُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ فَقَالَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ ثُمَّ قَامَ رَجُلٌ آخَرُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ فَقَالَ سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ
২৮৬১. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমার উম্মতের প্রথম যে দলটি জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল চেহারা নিয়ে প্রবেশ করবে আর তাদের পর যারা প্রবেশ করবে তারা আসমানের অতি উজ্জ্বল তারকার ন্যায় আকৃতি ধারণ করবে।“
তখন উকাশা দাঁড়িয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তখন তিনি দু’আ করেন: “হে আল্লাহ! তাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করুন।“
এরপর অপর এক ব্যক্তি উঠে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন।তখন তিনি বললেন: “এ ব্যাপারে উক্কাশা তোমার চেয়ে অগ্রগামী হয়ে গেছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (তবে হাদীসটি সহীহ), এটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: বুখারী, বাদউল খালক ৩২৪৫, ৩২৪৬; মুসলিম, জান্নাত ২৮৩৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৮৪, ৬৪৩৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪২০, ৭৪৩৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৭৭ তে।
তখন উকাশা দাঁড়িয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তখন তিনি দু’আ করেন: “হে আল্লাহ! তাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করুন।“
এরপর অপর এক ব্যক্তি উঠে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভূক্ত করেন।তখন তিনি বললেন: “এ ব্যাপারে উক্কাশা তোমার চেয়ে অগ্রগামী হয়ে গেছে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (তবে হাদীসটি সহীহ), এটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: বুখারী, বাদউল খালক ৩২৪৫, ৩২৪৬; মুসলিম, জান্নাত ২৮৩৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৮৪, ৬৪৩৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৪২০, ৭৪৩৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৭৭ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2861)