أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كَانَ عَبْدٌ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ وَكَانَ لَا يَدِينُ لِلَّهِ دِينًا وَإِنَّهُ لَبِثَ حَتَّى ذَهَبَ مِنْهُ عُمُرٌ وَبَقِيَ عُمُرٌ فَعَلِمَ أَنَّهُ لَمْ يَبْتَئِرْ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا فَدَعَا بَنِيهِ فَقَالَ أَيُّ أَبٍ تَعْلَمُونِي قَالُوا خَيْرُهُ يَا أَبَانَا قَالَ فَإِنِّي لَا أَدَعُ عِنْدَ أَحَدٍ مِنْكُمْ مَالًا هُوَ مِنِّي إِلَّا أَخَذْتُهُ مِنْكُمْ أَوْ لَتَفْعَلُنَّ مَا آمُرُكُمْ قَالَ فَأَخَذَ مِنْهُمْ مِيثَاقًا وَرَبِّي قَالَ أَمَّا أَنَا إِذَا مُتُّ فَخُذُونِي فَأَحْرِقُونِي بِالنَّارِ حَتَّى إِذَا كُنْتُ حُمَمًا فَدُقُّونِي ثُمَّ اذْرُونِي فِي الرِّيحِ قَالَ فَفَعَلُوا ذَلِكَ بِهِ وَرَبِّ مُحَمَّدٍ حِينَ مَاتَ فَجِيءَ بِهِ أَحْسَنَ مَا كَانَ قَطُّ فَعُرِضَ عَلَى رَبِّهِ فَقَالَ مَا حَمَلَكَ عَلَى النَّارِ قَالَ خَشْيَتُكَ يَا رَبِّ قَالَ إِنِّي أَسْمَعُكَ لَرَاهِبًا قَالَ فَتِيبَ عَلَيْهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَبْتَئِرُ يَدَّخِرُ
২৮৫১. বাহায ইবনু হাকীম তার পিতা হতে, তার দাদা সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “(তোমাদের পূর্বের উম্মাতের) আল্লাহর বান্দাদের মধ্যেকার এক বান্দা ছিল, যে আল্লাহর দীনের আনুগত্য করত না। এভাবে সে জীবন যাপন করতে থাকলো, এমনকি তার জীবনের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়ে গেলো আর কিছু অংশ অবশিষ্ট রইল। এসময় সে বুঝতে পারলো যে, সে (তার আখিরাতের জীবনের জন্য) আল্লাহর নিকট কোন নেককাজই সঞ্চয় করেনি। সে তার ছেলেদের ডেকে বলল, পিতা হিসেবে তোমরা আমাকে কেমন জানো? তারা বললো, হে আমাদের পিতা, ভাল (বলেই জানি)। সে বললো, অবশ্যই আমার নির্দেশ মতো তোমরা কাজ করবে, তা না হলে তোমাদের নিকট থেকে আমার সকল মাল-সম্পদ আমি কেড়ে নেব।
তিনি বলেন, আমার রবের শপথ, এভাবে সে তাদের নিকট থেকে প্রতিশ্রুতি নিল। সে বলল: আমি মারা গেলে তখন তোমরা আমাকে নিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে আমার মৃতদেহ ছাইয়ের গুঁড়ায় পরিণত করবে। অত:পর আমার ছাই বাতাসে ছড়িয়ে দেবে।
তিনি বলেন, “মুহাম্মদের রবের কসম, সে যখন মারা গেল, তখন তারা তা-ই করলো। অতঃপর (আলমে বারযাখে) তাকে পূর্বের চেয়েও সুন্দর আকৃতিতে নিয়ে আসা হলো এবং তার রবের সামনে পেশ করা হলো। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে আগুনে (পোড়ানোর) ব্যাপারে কিসে প্ররোচিত করল? সে বললো, হে রব, একমাত্র আপনার ভয়ই (আমাকে এ কাজ করতে প্ররোচিত করেছে)। তিনি বললেন: আমি তোমাকে ‘ভীত’ (শঙ্কিত)’ ব্যক্তি হিসেবে গ্রহণ করলাম।’ তিনি বলেন, তখন তাকে মাফ করে দেওয়া হলো।“[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন: يَبْتَئِر অর্থ: সঞ্চয় করা।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩ (সনদ সহীহ) ৫/৫; তাবারাণী, কাবীর ১৯/৪২৩ নং ১০৭৬, ১০৭৭।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যেটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন। আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০৪৭, ১০৯৮, ৫০৫৫ তে।
এর অপর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০০২, ৫০৫৬, ৫১০৫ তে।
তিনি বলেন, আমার রবের শপথ, এভাবে সে তাদের নিকট থেকে প্রতিশ্রুতি নিল। সে বলল: আমি মারা গেলে তখন তোমরা আমাকে নিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে আমার মৃতদেহ ছাইয়ের গুঁড়ায় পরিণত করবে। অত:পর আমার ছাই বাতাসে ছড়িয়ে দেবে।
তিনি বলেন, “মুহাম্মদের রবের কসম, সে যখন মারা গেল, তখন তারা তা-ই করলো। অতঃপর (আলমে বারযাখে) তাকে পূর্বের চেয়েও সুন্দর আকৃতিতে নিয়ে আসা হলো এবং তার রবের সামনে পেশ করা হলো। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে আগুনে (পোড়ানোর) ব্যাপারে কিসে প্ররোচিত করল? সে বললো, হে রব, একমাত্র আপনার ভয়ই (আমাকে এ কাজ করতে প্ররোচিত করেছে)। তিনি বললেন: আমি তোমাকে ‘ভীত’ (শঙ্কিত)’ ব্যক্তি হিসেবে গ্রহণ করলাম।’ তিনি বলেন, তখন তাকে মাফ করে দেওয়া হলো।“[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন: يَبْتَئِر অর্থ: সঞ্চয় করা।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩ (সনদ সহীহ) ৫/৫; তাবারাণী, কাবীর ১৯/৪২৩ নং ১০৭৬, ১০৭৭।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যেটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন। আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০৪৭, ১০৯৮, ৫০৫৫ তে।
এর অপর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০০২, ৫০৫৬, ৫১০৫ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2851)