حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ قَالَ أَخْبَرَنِي زُرَيْقُ بْنُ حَيَّانَ مَوْلَى بَنِي فَزَارَةَ أَنَّهُ سَمِعَ مُسْلِمَ بْنَ قَرَظَةَ الْأَشْجَعِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ الْأَشْجَعِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ خِيَارُ أَئِمَّتِكُمْ الَّذِينَ تُحِبُّونَهُمْ وَيُحِبُّونَكُمْ وَتُصَلُّونَ عَلَيْهِمْ وَيُصَلُّونَ عَلَيْكُمْ وَشِرَارُ أَئِمَّتِكُمْ الَّذِينَ تُبْغِضُونَهُمْ وَيُبْغِضُونَكُمْ وَتَلْعَنُونَهُمْ وَيَلْعَنُونَكُمْ قُلْنَا أَفَلَا نُنَابِذُهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ عِنْدَ ذَلِكَ قَالَ لَا مَا أَقَامُوا فِيكُمْ الصَّلَاةَ أَلَا مَنْ وُلِّيَ عَلَيْهِ وَالٍ فَرَآهُ يَأْتِي شَيْئًا مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ فَلْيَكْرَهْ مَا يَأْتِي مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ وَلَا يَنْزِعَنَّ يَدًا مِنْ طَاعَةٍ قَالَ ابْنُ جَابِرٍ فَقُلْتُ آللَّهِ يَا أَبَا الْمِقْدَامِ أَسَمِعْتَ هَذَا مِنْ مُسْلِمِ بْنِ قَرَظَةَ فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَجَثَا عَلَى رُكْبَتَيْهِ فَقَالَ آللَّهِ لَسَمِعْتُ هَذَا مِنْ مُسْلِمِ بْنِ قَرَظَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ عَمِّي عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُهُ
২৮৩৫. আওফ ইবনু মালিক আল-আশজায়ী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ “তোমাদের উত্তম শাসক হচ্ছে- যাদের তোমরা ভালোবাসো এবং তারাও তোমাদের ভালোবাসে। তোমরা তাদের জন্য দোয়া কর এবং তারাও তোমাদের জন্য দোয়া করে। তোমাদের দুষ্ট শাসক হচ্ছে, যাদের তোমরা ঘৃণা কর এবং তারাও তোমাদের ঘৃণা করে। তোমরা তাদের অভিশাপ দাও, আর তারাও তোমাদের অভিশাপ দেয়।“ আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এমন অবস্থার উদ্ভব হলে আমরা কি তাদের ক্ষমতাচ্যুত (বিরোধিতা) করব না? তিনি বললেনঃ “না, যতদিন তারা তোমাদের মাঝে সালাত কায়েম করে।
জেনে রাখ, যদি তোমাদের কেউ কারো ওপর শাসক নিযুক্ত হয় এবং সে তাকে আল্লাহর নাফরমানীতে লিপ্ত দেখে তাহলে সে যেন তাদের আল্লাহর নাফরমানীমূলক কাজের নিন্দা করে। কিন্তু সে যেন আনুগত্যের হাত (শপথ) তার থেকে তুলে না নেয়।“[1] ইবনে জাবির বলেন, আমি তাকে বললাম, “হে আবুল মিকদাম! আল্লাহর শপথ, আপনার এ হাদীসটি কি আপনি মুসলিম ইবনে কারাযাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন? বর্ণনাকারী বলেন, আমার কথা শুনে তিনি হাঁটু গেড়ে কিবলার দিকে মুখ করে বসে আমাকে উত্তর দিলেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি এ হাদীস মুসলিম ইবনু কারাযাকে বলতে শুনেছি, (তিনি বলেছেন) আমি আমার চাচা আউফ ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এটি বলতে শুনেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, ইমারাহ ১৮৫৫।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৫৮৯ তে।
সংযোজনী: এছাড়াও, তাবারাণী, কাবীর ১৮/৬২, ৬৩ নং ১১৫, ১১৬,১১৭; মুসনাদুশ শামিয়্যীন নং ৫৮৬, ৫৮৭, ৬৩৭, ১৯৩৮; বুখারী, কাবীর ৭/২৭০-২৭১।
জেনে রাখ, যদি তোমাদের কেউ কারো ওপর শাসক নিযুক্ত হয় এবং সে তাকে আল্লাহর নাফরমানীতে লিপ্ত দেখে তাহলে সে যেন তাদের আল্লাহর নাফরমানীমূলক কাজের নিন্দা করে। কিন্তু সে যেন আনুগত্যের হাত (শপথ) তার থেকে তুলে না নেয়।“[1] ইবনে জাবির বলেন, আমি তাকে বললাম, “হে আবুল মিকদাম! আল্লাহর শপথ, আপনার এ হাদীসটি কি আপনি মুসলিম ইবনে কারাযাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন? বর্ণনাকারী বলেন, আমার কথা শুনে তিনি হাঁটু গেড়ে কিবলার দিকে মুখ করে বসে আমাকে উত্তর দিলেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি এ হাদীস মুসলিম ইবনু কারাযাকে বলতে শুনেছি, (তিনি বলেছেন) আমি আমার চাচা আউফ ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এটি বলতে শুনেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, ইমারাহ ১৮৫৫।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৫৮৯ তে।
সংযোজনী: এছাড়াও, তাবারাণী, কাবীর ১৮/৬২, ৬৩ নং ১১৫, ১১৬,১১৭; মুসনাদুশ শামিয়্যীন নং ৫৮৬, ৫৮৭, ৬৩৭, ১৯৩৮; বুখারী, কাবীর ৭/২৭০-২৭১।
সুনান আদ-দারিমী (2835)