حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي يَعْلَى عَنْ الرَّبِيعِ بْنِ خُثَيْمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَطَّ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطًّا مُرَبَّعًا ثُمَّ خَطَّ وَسَطَهُ خَطًّا ثُمَّ خَطَّ حَوْلَهُ خُطُوطًا وَخَطَّ خَطًّا خَارِجًا مِنْ الْخَطِّ فَقَالَ هَذَا الْإِنْسَانُ لِلْخَطِّ الْأَوْسَطِ وَهَذَا الْأَجَلُ مُحِيطٌ بِهِ وَهَذِهِ الْأَعْرَاضُ لِلْخُطُوطِ فَإِذَا أَخْطَأَهُ وَاحِدٌ نَهَشَهُ الْآخَرُ وَهَذَا الْأَمَلُ لِلْخَطِّ الْخَارِجِ
২৭৬৭. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বর্গাকৃতির চতুর্ভুজ আঁকলেন, এর মধ্যভাগে একটি সরল রেখা টানলেন, অতঃপর (চতুর্ভুজের মধ্যবর্তী) এ রেখার চতুর্দিকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র রেখা টানলেন, অতঃপর চতুর্ভুজের বাইরে একটি সরল রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ “এই মধ্যবর্তী রেখাটি হলো মানুষ। এই (বর্গক্ষেত্র) টি হলো তার জীবনকালের সীমা, যা তাকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর ঐ (সরল রেখার) পার্শ্ববর্তী রেখাগুলো হলো বিপদাপদ। সে একটি বিপদ থেকে মুক্তি পেলে আরেকটি বিপদ তাকে দংশন করে। আর (বর্গক্ষেত্র ভেদ করে) বাইরে আসা রেখাটি হলো তার কামনা-বাসনা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ১৩/৩৮৫; বুখারী, রিক্বাক্ব ৬৪১৭; ইবনু মাজাহ, যুহদ ৪২৩১; রমহারমুযী, আমছালুল হাদীস নং ৭২ তে।
আামরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২৪৩ তে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ১৩/৩৮৫; বুখারী, রিক্বাক্ব ৬৪১৭; ইবনু মাজাহ, যুহদ ৪২৩১; রমহারমুযী, আমছালুল হাদীস নং ৭২ তে।
আামরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২৪৩ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2767)