أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ بِلَالٍ قَالَ كَانَ عِنْدِي مُدُّ تَمْرٍ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدْتُ أَطْيَبَ مِنْهُ صَاعًا بِصَاعَيْنِ فَاشْتَرَيْتُ مِنْهُ فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مِنْ أَيْنَ لَكَ هَذَا يَا بِلَالُ قُلْتُ اشْتَرَيْتُ صَاعًا بِصَاعَيْنِ قَالَ رُدَّهُ وَرُدَّ عَلَيْنَا تَمْرَنَا
২৬১৪. বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য এক মুদ খেজুর ছিল। এরপর আমি এ থেকে দু’ সা’আ পরিমাণ খেুজর দিয়ে এক সা’আ পরিমাণ এর থেকে উত্তম খেজুর ক্রয় করলাম। এরপর তা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এলে তিনি বললেন: “হে বিলাল! তুমি এটা কোথায় পেলে?“ আমি বললাম, (আমার খেজুর) দু’ সা’আ দিয়ে (এ খেজুর) এক সা’আ কিনেছি। তিনি বললেন: “এটি ফিরিয়ে দাও এবং আমাদের খেজুর আমাদের নিকট ফিরিয়ে নিয়ে আস।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ যদি মাসরুক বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করে থাকেন।
তাখরীজ: তাহাবী, মা’আনিল আছার ৪/৬৮; তাবারাণী, কাবীর ১/৩৫৯ নং ১০৯৭; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ৫/১৩৪; বাযযার, কাশফুল আসতার ২/১০৮ নং ১৩১৬; হারিছ ইবনু আবী উসামাহ, বুগইয়াতুল বাহিছ নং ৪৪২ মাতরুক ও যঈফ সনদে।
তবে এ হাদীসের অনেকগুলি শাহিদ রয়েছে। দেখুন আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬৬৩৮, ৬৬৩৯ তে। এছাড়াও, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে এর শাহিদ রয়েছে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলীতে নং ৫৭১০ সেখানে এর শাহিদসমূহও উল্লেখ করেছি। এরপরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ যদি মাসরুক বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে শ্রবণ করে থাকেন।
তাখরীজ: তাহাবী, মা’আনিল আছার ৪/৬৮; তাবারাণী, কাবীর ১/৩৫৯ নং ১০৯৭; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ৫/১৩৪; বাযযার, কাশফুল আসতার ২/১০৮ নং ১৩১৬; হারিছ ইবনু আবী উসামাহ, বুগইয়াতুল বাহিছ নং ৪৪২ মাতরুক ও যঈফ সনদে।
তবে এ হাদীসের অনেকগুলি শাহিদ রয়েছে। দেখুন আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬৬৩৮, ৬৬৩৯ তে। এছাড়াও, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে এর শাহিদ রয়েছে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলীতে নং ৫৭১০ সেখানে এর শাহিদসমূহও উল্লেখ করেছি। এরপরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
সুনান আদ-দারিমী (2614)