أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَالِكٍ قِرَاءَةً عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي رَافِعٍ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اسْتَسْلَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَكْرًا فَجَاءَتْ إِبِلٌ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ قَالَ أَبُو رَافِعٍ فَأَمَرَنِي أَنْ أَقْضِيَ الرَّجُلَ بَكْرَهُ فَقُلْتُ لَمْ أَجِدْ فِي الْإِبِلِ إِلَّا جَمَلًا خِيَارًا رَبَاعِيًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطِهِ إِيَّاهُ فَإِنَّ خَيْرَ النَّاسِ أَحْسَنُهُمْ قَضَاءً قَالَ عَبْد اللَّهِ هَذَا يُقَوِّي قَوْلَ مَنْ يَقُولُ الْحَيَوَانُ بِالْحَيَوَانِ
২৬০৩. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্ত দাস আবূ রাফে রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির নিকট থেকে ধারে একটি উঠতি বয়সের উট কিনেন অতঃপর যাকাতের উট এলো। আবূ রাফে’ বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন সেই লোকের উটটি পরিশোধ করি। তখন আমি বললাম, আমি তো চার বছর বা ততোধিক বয়সের উট ছাড়া আর কোন উট পাচ্ছি না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “ওটাই তাকে দাও। কেননা লোকেদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধ করে।“[1]
আবূ মুহাম্মদ বলেন, এটি ঐ লোকদের মতকে শক্তিশালী করে, যারা বলেন, পশুর বদলে পশু প্রদান (জায়েয)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, বুয়ূ ৮৯; মুসলিম, মাসাকাত ১৬০০; আহমাদ ৬/২৯০; আবূ দাউদ, বুয়ূ ৩৩৪৬; তিরমিযী, বুয়ূ ১৩১৮; নাসাঈ, বুয়ূ ৭.২৯১, কুবরা নং ৬২১০; ইবনু মাজাহ, তিজারাত ২১৮৫; শাফিঈ, আল উম্ম ৩/১১৭; আর রিসালাহ নং ১৬০৬; বাইহাকী, বুয়ূ ৬/২১, আল মারিফাহ ৭/১৯০ নং ১১৫৯৫; ইবনুল কা’নি’, মুজামুস সাহাবাহ নং ৩৮।
আবূ মুহাম্মদ বলেন, এটি ঐ লোকদের মতকে শক্তিশালী করে, যারা বলেন, পশুর বদলে পশু প্রদান (জায়েয)।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, বুয়ূ ৮৯; মুসলিম, মাসাকাত ১৬০০; আহমাদ ৬/২৯০; আবূ দাউদ, বুয়ূ ৩৩৪৬; তিরমিযী, বুয়ূ ১৩১৮; নাসাঈ, বুয়ূ ৭.২৯১, কুবরা নং ৬২১০; ইবনু মাজাহ, তিজারাত ২১৮৫; শাফিঈ, আল উম্ম ৩/১১৭; আর রিসালাহ নং ১৬০৬; বাইহাকী, বুয়ূ ৬/২১, আল মারিফাহ ৭/১৯০ নং ১১৫৯৫; ইবনুল কা’নি’, মুজামুস সাহাবাহ নং ৩৮।
সুনান আদ-দারিমী (2603)