أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعَتَيْنِ وَعَنْ لِبْسَتَيْنِ عَنْ بَيْعِ الْمُنَابَذَةِ وَالْمُلَامَسَةِ قَالَ عَبْد اللَّهِ الْمُنَابَذَةُ يَرْمِي هَذَا إِلَى ذَاكَ وَيَرْمِي ذَاكَ إِلَى ذَا قَالَ كَانَ هَذَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ
২৬০০. আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’প্রকার ক্রয়-বিক্রয় এবং দু’ধরনের কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে মুলামাসা ও মুনাবাযা[1] করতে নিষেধ করেছেন।[2] আব্দুল্লাহ বলেন, মোনাবাযা হচ্ছে এই যে, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির দিকে এবং অপর ব্যক্তি এই ব্যক্তির দিকে নিজ নিজ কাপড় নিক্ষেপ করবে। তিনি আরও বলেন: এটি জাহিলিয়্যাহ যুগে প্রচলিত ছিল।
[1] ((মুলামাসা: এক ব্যক্তি (ক্রেতা) অপর ব্যক্তির (বিক্রেতার) কাপড় (রাত্রে অথবা দিনের বেলায় নিজ হাতে স্পর্শ করা এবং তা ভালোভাবে উল্টে-পাল্টে না দেখা। এরপর আর তাদের ইখতিায়ার থাকবে না।
আর মোনাবাযা: হচ্ছে এই যে, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির দিকে এবং অপর ব্যক্তি এই ব্যক্তির দিকে নিজ নিজ কাপড় নিক্ষেপ করবে। এভাবে না দেখেই এবং পরস্পরের সম্মতি ব্যতিরেকেই ক্রয়-বিক্রয় উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, সালাত ৩৬৭; মুসলিম, বুয়ূ ১৫১২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৭৬, ১১১৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৯৭৬, ৫৪২৭ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৪৭ তে।
[1] ((মুলামাসা: এক ব্যক্তি (ক্রেতা) অপর ব্যক্তির (বিক্রেতার) কাপড় (রাত্রে অথবা দিনের বেলায় নিজ হাতে স্পর্শ করা এবং তা ভালোভাবে উল্টে-পাল্টে না দেখা। এরপর আর তাদের ইখতিায়ার থাকবে না।
আর মোনাবাযা: হচ্ছে এই যে, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির দিকে এবং অপর ব্যক্তি এই ব্যক্তির দিকে নিজ নিজ কাপড় নিক্ষেপ করবে। এভাবে না দেখেই এবং পরস্পরের সম্মতি ব্যতিরেকেই ক্রয়-বিক্রয় উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, সালাত ৩৬৭; মুসলিম, বুয়ূ ১৫১২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৭৬, ১১১৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৯৭৬, ৫৪২৭ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৪৭ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2600)