حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَتَلَ رَجُلٌ رَجُلًا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِيَتَهُ اثْنَيْ عَشَرَ أَلْفًا فَذَلِكَ قَوْلُهُ وَمَا نَقَمُوا إِلَّا أَنْ أَغْنَاهُمْ اللَّهُ وَرَسُولُهُ مِنْ فَضْلِهِ بِأَخْذِهِمْ الدِّيَةَ
২৪০২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (আদী গোত্রের) জনৈক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তি কর্তৃক নিহত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বার হাযার দিরহাম ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেন। আর এটাই মহান আল্লাহর বাণী’-(-র অর্থ): “আর তারা একমাত্র এ কারণেই দোষারোপ করেছিল যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাঁর স্বীয় অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করেছেন।“ (সুরা তাওবা: ৭৪) তথা তাদের দিয়াত গ্রহণের মাধ্যমে (তাদেরকে অভাবমুক্ত করেছেন)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((এর রাবী মুহাম্মদ বিন মুসলিম সম্পর্কে বিভিন্ন নাকিদ মুহাদ্দিসের ইখতিলাফপূর্ণ মতামত উল্লেখ পূর্বক মুহাক্বিক্ব তাকে ‘চলনসই’ (লা বা’সা বিহী) বলে উল্লেখ করেন। আর হাদীসটি মুরসাল হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে উসূল হিসেবে উল্লৈখ করেছেন যে, বিশ্বস্ত রাবীর ইরসাল গ্রহণযোগ্য।–অনুবাদক))
তাখরীজ: আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫৪৬; নাসাঈ, কুবরা ৭০০৬, ৭০০৭; তিরমিযী, দিয়াত ১৩৮৮; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৯, ২৬৩২; তাবারী ১০/১৮৭; দারুকুতনী ৩/১৩০ নং ১৫২; বাইহাকী ৮/৭৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩৯৩। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ৪/২৩।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ((এর রাবী মুহাম্মদ বিন মুসলিম সম্পর্কে বিভিন্ন নাকিদ মুহাদ্দিসের ইখতিলাফপূর্ণ মতামত উল্লেখ পূর্বক মুহাক্বিক্ব তাকে ‘চলনসই’ (লা বা’সা বিহী) বলে উল্লেখ করেন। আর হাদীসটি মুরসাল হওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে উসূল হিসেবে উল্লৈখ করেছেন যে, বিশ্বস্ত রাবীর ইরসাল গ্রহণযোগ্য।–অনুবাদক))
তাখরীজ: আবূ দাউদ, দিয়াত ৪৫৪৬; নাসাঈ, কুবরা ৭০০৬, ৭০০৭; তিরমিযী, দিয়াত ১৩৮৮; ইবনু মাজাহ, দিয়াত ২৬২৯, ২৬৩২; তাবারী ১০/১৮৭; দারুকুতনী ৩/১৩০ নং ১৫২; বাইহাকী ৮/৭৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩৯৩। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ৪/২৩।
সুনান আদ-দারিমী (2402)