أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَلِيٍّ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ هَلْ عَلِمْتَ شَيْئًا مِنْ الْوَحْيِ إِلَّا مَا فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى قَالَ لَا وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ مَا أَعْلَمُهُ إِلَّا فَهْمًا يُعْطِيهِ اللَّهُ الرَّجُلَ فِي الْقُرْآنِ وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ قُلْتُ وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ قَالَ الْعَقْلُ وَفِكَاكُ الْأَسِيرِ وَلَا يُقْتَلُ مُسْلِمٌ بِمُشْرِكٍ
২৩৯৫. আবূ জুহাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের নিকট আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব ব্যতীত ওয়াহীর কোনো কিছু আপনি জানেন কি? তিনি উত্তরে বললেন, সেই মহান সত্তার শপথ, যিনি শস্য বিদীর্ণ করেছেন এবং প্রাণের সৃষ্টি করেছেন! আল্লাহ্ তা’আলা কুরআন সম্পর্কে একজন মানুষকে যে প্রজ্ঞা দেন এবং এই সহীফার মধ্যে যা কিছু আছে, তার বেশি কিছু আমি জানি না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, সহীফার মধ্যে কী আছে? তিনি বললেন, তাতে রক্তপণ এবং যুদ্ধবন্দী মুক্তি সম্পর্কিত বিধান আছে। তাতে আরো আছে, কোনো মুশরিকের (হত্যার) দায়ে কোন মুমিনকে (কিসাস স্বরূপ) হত্যা করা যাবে না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ১১১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ৩৩৮, ৪৫১, ৫৬২, ৬২৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী ন্ং ৪০ তে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ১১১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ন্ং ৩৩৮, ৪৫১, ৫৬২, ৬২৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী ন্ং ৪০ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2395)