أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مُرْهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا وَيُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ أَمْسَكَ وَإِنْ شَاءَ طَلَّقَ قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ
২৩০১. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেন। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তাকে নির্দেশ দাও যে, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুমতী হয় এবং আবার পবিত্র হয়। অতঃপর সে যদি ইচ্ছে করে, তাকে রেখে দিবে আর যদি ইচ্ছে করে তবে সহবাসের পূর্বে তাকে তালাক দেবে। আর এটাই তালাকের সময়কাল, যে সময়ে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার জন্য আল্লাহ্ তা’আলা এর বিধান দিয়েছেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, তালাক ৫৩ সহীহ সনদে; বুখারী, তালাক ৫২৫১; মুসলিম, তালাক ১৪৭১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৬৩, ৪২৬৪ তে।
এছাড়াও, বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ১১/১৭৯ নং ১৫১৭৩; দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/১৬৪।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মালিক, তালাক ৫৩ সহীহ সনদে; বুখারী, তালাক ৫২৫১; মুসলিম, তালাক ১৪৭১।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৬৩, ৪২৬৪ তে।
এছাড়াও, বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ১১/১৭৯ নং ১৫১৭৩; দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/১৬৪।
সুনান আদ-দারিমী (2301)