أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ هِنْدًا أُمَّ مُعَاوِيَةَ امْرَأَةَ أَبِي سُفْيَانَ أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ وَإِنَّهُ لَا يُعْطِينِي مَا يَكْفِينِي وَبَنِيَّ إِلَّا مَا أَخَذْتُ مِنْهُ وَهُوَ لَا يَعْلَمُ فَهَلْ عَلَيَّ فِي ذَلِكَ جُنَاحٌ فَقَالَ خُذِي مَا يَكْفِيكِ وَوَلَدَكِ بِالْمَعْرُوفِ
২২৯৮. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত যে, আবী সুফিয়ানের স্ত্রী মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মা হিন্দা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আবী সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার ও আমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে ব্যয় করে না। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি আমার গুনাহ হবে? তখন তিনি বললেন, “তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়সঙ্গতভাবে গ্রহণ করতে পার।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ ২২১১; মুসলিম, আকযিয়া ১৭১৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৩৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৫৫, ৪২৫৬, ৪২৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৪৪ তে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।
তাখরীজ: বুখারী, বুয়ূ ২২১১; মুসলিম, আকযিয়া ১৭১৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৩৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪২৫৫, ৪২৫৬, ৪২৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৪৪ তে।
সুনান আদ-দারিমী (2298)