أَخْبَرَنَا أَبُو حَاتِمٍ أَشْهَلُ بْنُ حَاتِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَمَّا كَانَ ذَلِكَ الْيَوْمُ قَعَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَعِيرٍ لَا أَدْرِي جَمَلٌ أَوْ نَاقَةٌ وَأَخَذَ إِنْسَانٌ بِخِطَامِهِ أَوْ قَالَ بِزِمَامِهِ فَقَالَ أَيُّ يَوْمٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ يَوْمَ النَّحْرِ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَأَيُّ شَهْرٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ ذَا الْحِجَّةِ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَأَيُّ بَلَدٍ هَذَا قَالَ فَسَكَتْنَا حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ فَقَالَ أَلَيْسَ الْبَلْدَةَ قُلْنَا بَلَى قَالَ فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا أَلَا لِيُبَلِّغْ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ فَإِنَّ الشَّاهِدَ عَسَى أَنْ يُبَلِّغَ مَنْ هُوَ أَوْعَى مِنْهُ
১৯৫২. আবূ বাকরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (বিদায় হাজ্জের) সেই দিন যখন এলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিনায়) তাঁর উটের উপর উপবেশন করলেন। আমি জানি না, সেটি উট নাকি উটনী। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি তাঁর উটের লাগাম অথবা, রাশ ধরে রেখেছিল।
তথন তিনি বললেনঃ “এটা কোন্ দিন?“
তিনি বলেন, আমরা চুপ করে রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এ দিনটির আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ ‘‘এটা কি কুরবানীর দিন নয়?“ আমরা বললাম, ‘জি হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ মাস?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি যিলহাজ্জ মাস নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ শহর?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি সেই (পবিত্র) শহর নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেনঃ “তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, তোমাদের সম্মান তোমাদের পরস্পরের জন্য হারাম, যেমন আজকের তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাস, তোমাদের এ শহর মর্যাদা সম্পন্ন। তোমরা জেনে রাখো! উপস্থিত ব্যক্তিরা যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট (আমার এ বাণী) পৌঁছে দেয়। কারণ উপস্থিত ব্যক্তি সম্ভবত এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছাবে, যে এ বাণীকে তার চেয়ে অধিক আয়ত্তে রাখতে পারবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৬৭; আযাহী ৫৫৫০; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭৯;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১১২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৪৮ তে।
তথন তিনি বললেনঃ “এটা কোন্ দিন?“
তিনি বলেন, আমরা চুপ করে রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এ দিনটির আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ ‘‘এটা কি কুরবানীর দিন নয়?“ আমরা বললাম, ‘জি হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ মাস?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি যিলহাজ্জ মাস নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’
তিনি জিজ্ঞেসঃ “এটা কোন্ শহর?“
আমরা নীরব রইলাম আর ধারণা করলাম যে, অচিরেই তিনি এর আলাদা কোন নাম দিবেন।
তিনি বললেনঃ “এটা কি সেই (পবিত্র) শহর নয়?“
আমরা বললাম, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেনঃ “তোমাদের রক্ত, তোমাদের ধন-সম্পদ, তোমাদের সম্মান তোমাদের পরস্পরের জন্য হারাম, যেমন আজকের তোমাদের এ দিন, তোমাদের এ মাস, তোমাদের এ শহর মর্যাদা সম্পন্ন। তোমরা জেনে রাখো! উপস্থিত ব্যক্তিরা যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট (আমার এ বাণী) পৌঁছে দেয়। কারণ উপস্থিত ব্যক্তি সম্ভবত এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছাবে, যে এ বাণীকে তার চেয়ে অধিক আয়ত্তে রাখতে পারবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, ইলম ৬৭; আযাহী ৫৫৫০; মুসলিম, কাসামাহ ১৬৭৯;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১১২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৪৮ তে।
সুনান আদ-দারিমী (1952)