حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ الطَّوَافَ الْأَوَّلَ خَبَّ ثَلَاثَةً وَمَشَى أَرْبَعَةً وَكَانَ يَسْعَى بِبَطْنِ الْمَسِيلِ إِذَا سَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَقُلْتُ لِنَافِعٍ أَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَمْشِي إِذَا بَلَغَ الرُّكْنَ الْيَمَانِيَ قَالَ لَا إِلَّا أَنْ يُزَاحَمَ عَلَى الرُّكْنِ فَإِنَّهُ كَانَ لَا يَدَعُهُ حَتَّى يَسْتَلِمَهُ
১৮৭৮. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইতুল্লাহর প্রথম তাওয়াফ (তাওয়াফে উলা) করার সময় তিনবার রমল করেন (দুলে দুলে চলেন) এবং চারবার স্বাধারণভাবে হেঁটে তাওয়াফ করেন। তারপর সাফা ও মারওয়া সাঈ করার সময় তিনি ‘বাতনে মাসীলে’ (উপত্যকায়) এসে দ্রুতহেঁটে চলেন।
(বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন), এরপর আমি নাফি’ঈ-কে বললাম, আব্দুল্লাহ (রা:) যখন রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছতেন, তখন কি তিনি স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলতেন? তিনি বললেন, না। তবে রুকনের নিকট ভীড় থাকলে (একটু মন্থর গতিতে চলতেন)। কেননা, তিনি একে চুম্বন না করা পর্যন্ত তা ছেড়ে যেতেননা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ, ১৬০৩, ১৬১৬, ১৬১৭, ১৬৪৪; মুসলিম, হাজ্জ১২৬১ (২৩১, ২৩২); আবূদাউদ, মানাসিক১৮৯৩; নাসাঈ, কুবরা নং ৩৯৩৫, ৩৯৩৮, ৩৯৩৯; বাইহাকী, হাজ্জ ৫/৯৪; আহমাদ২/৩০; ইবনু মাজাহ, মানাসিক ২৯৫০।
(বর্ণনাকারী উবাইদুল্লাহ বলেন), এরপর আমি নাফি’ঈ-কে বললাম, আব্দুল্লাহ (রা:) যখন রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছতেন, তখন কি তিনি স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলতেন? তিনি বললেন, না। তবে রুকনের নিকট ভীড় থাকলে (একটু মন্থর গতিতে চলতেন)। কেননা, তিনি একে চুম্বন না করা পর্যন্ত তা ছেড়ে যেতেননা।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ, ১৬০৩, ১৬১৬, ১৬১৭, ১৬৪৪; মুসলিম, হাজ্জ১২৬১ (২৩১, ২৩২); আবূদাউদ, মানাসিক১৮৯৩; নাসাঈ, কুবরা নং ৩৯৩৫, ৩৯৩৮, ৩৯৩৯; বাইহাকী, হাজ্জ ৫/৯৪; আহমাদ২/৩০; ইবনু মাজাহ, মানাসিক ২৯৫০।
সুনান আদ-দারিমী (1878)